ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে স্পেনের ঐতিহাসিক জয় রোনালদোর গ্যারেজে থাকা দুর্লভ বুগাত্তি ও তাঁর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার শাহজালালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদলের মধ্যরাতে বিক্ষোভ বিশ্ব পর্যটন দিবস: ডিজিটাল ও এআই প্রযুক্তিতে সাজছে বাংলাদেশের পর্যটন বিশ্বমঞ্চে নজর কাড়ল চীনা ফার্স্টলেডি পং লিউয়ানের গ্ল্যামার ও সফট পাওয়ার হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্ট: ১০ হাজার কোটি রুপির সম্পদ নিয়ে শীর্ষে শাহরুখ সপ্তাহের শুরুতে শেয়ারবাজার, মুদ্রা ও নিত্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতি নেপালে বন্যায় মৃত বেড়ে ১৪৫৩, নিখোঁজ এখনো প্রায় ৬ হাজার পাকিস্তান পারল, বাংলাদেশ পারল না কেন: তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যবধান গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষের বছরে পদ্মার সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনার তাগিদ

জাতিসংঘে প্রথম ভাষণে ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে যা বললেন তারেক রহমান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ৪টা ১৮ মিনিটের দিকে তিনি বাংলায় এই ভাষণ প্রদান করেন। এর মাধ্যমে তিনি তার পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। এর আগে ১৯৮০ সালে তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯৩ সালে তার মা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছিলেন।

ভাষণের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের সংগ্রামের পর বাংলাদেশ এখন ফ্যাসিবাদমুক্ত। চলতি বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, জনগণই রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।

বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের স্মৃতিকাতরতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার পিতা ও মাতা যেভাবে দেশ ও জনগণের স্বার্থে এই মঞ্চে দাঁড়িয়েছিলেন, তিনিও আজ একটি শান্তিময় বিশ্ব সমাজের প্রত্যাশায় এখানে উপস্থিত হয়েছেন। ৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য ‘রিস্টোরিং ট্রাস্ট, ম্যানেজিং ট্রান্সফরমেশন: এ ইউনাইটেড নেশসনস দ্যাট ডেলিভারস ফর অল’-কে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে তিনি অভিহিত করেন। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতার নীতিতে অটল এবং পিসবিল্ডিং কমিশনের ভাইস-চেয়ার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এর ফলে বাংলাদেশের সম্পদ, পরিবেশ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি পুনরায় স্পষ্ট করেন যে, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস ও সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত এবং বাস্তুচ্যুতদের নিরাপদে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়াই এর একমাত্র উপায়। এছাড়া তিনি অভিবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার প্রথম ভাষণ। এই ভাষণের মাধ্যমে পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে এক নতুন ইতিহাস গড়লেন তারেক রহমান। এর আগে তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পরিবারের প্রথম সদস্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছিলেন। তিনি ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছিলে

এর ১৩ বছর পর ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মা ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ভাষণ দেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘে প্রথম ভাষণে ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে যা বললেন তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ৪টা ১৮ মিনিটের দিকে তিনি বাংলায় এই ভাষণ প্রদান করেন। এর মাধ্যমে তিনি তার পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। এর আগে ১৯৮০ সালে তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯৩ সালে তার মা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছিলেন।

ভাষণের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের সংগ্রামের পর বাংলাদেশ এখন ফ্যাসিবাদমুক্ত। চলতি বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, জনগণই রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।

বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের স্মৃতিকাতরতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার পিতা ও মাতা যেভাবে দেশ ও জনগণের স্বার্থে এই মঞ্চে দাঁড়িয়েছিলেন, তিনিও আজ একটি শান্তিময় বিশ্ব সমাজের প্রত্যাশায় এখানে উপস্থিত হয়েছেন। ৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য ‘রিস্টোরিং ট্রাস্ট, ম্যানেজিং ট্রান্সফরমেশন: এ ইউনাইটেড নেশসনস দ্যাট ডেলিভারস ফর অল’-কে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে তিনি অভিহিত করেন। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতার নীতিতে অটল এবং পিসবিল্ডিং কমিশনের ভাইস-চেয়ার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এর ফলে বাংলাদেশের সম্পদ, পরিবেশ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি পুনরায় স্পষ্ট করেন যে, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস ও সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত এবং বাস্তুচ্যুতদের নিরাপদে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়াই এর একমাত্র উপায়। এছাড়া তিনি অভিবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার প্রথম ভাষণ। এই ভাষণের মাধ্যমে পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে এক নতুন ইতিহাস গড়লেন তারেক রহমান। এর আগে তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পরিবারের প্রথম সদস্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছিলেন। তিনি ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছিলে

এর ১৩ বছর পর ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মা ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ভাষণ দেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh