ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়ান গেমসে জিন্নাতের ব্রোঞ্জ, ঘুচল বাংলাদেশের ৪০ বছরের অপেক্ষা বয়স লুকিয়ে পর্দায় অভিনয় করবেন না দীপা খন্দকার হাতিয়ায় এমপি হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে এনসিপি ও ছাত্রদলের সংঘর্ষ পল্টন থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা করল ডিএসসিসি নেতানিয়াহু মঞ্চে উঠতেই জাতিসংঘে প্রতিনিধিদের গণ-ওয়াকআউট জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে নাৎসি শিবিরের হত্যাকাণ্ডে তদন্ত জার্মানিতে মঞ্চে আসছে লাকী ইনামের নতুন নাটক ‘দুই পাখি ও নন্দিনী’ জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ ইসরাইলকে আরও একঘরে করেছে: মারওয়ান বিশারা হ্যাকিং ও প্রতারণা থেকে বাঁচতে অনলাইনে মেনে চলুন ৬ নিয়ম

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড একটি ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিলসেন উপস্থিত ছিলেন। এই সমঝোতার মাধ্যমে উত্তর মেরু অঞ্চলে এই দ্বীপটিকে ঘিরে পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের সামনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, এই সমঝোতা গ্রিনল্যান্ডের সামগ্রিক নিরাপত্তা এবং অন্যান্য প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রকে স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ প্রদান করেছে। তিনি জানান, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে একটি 'গোল্ডেন ডোম' প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এছাড়া দ্বীপটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দ্রুত জোরদার করা হবে এবং নারসারসুয়াক ও মেস্টার্সভিগ নামক স্থানে দুটি বড় সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করবে মার্কিন বাহিনী।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এই চুক্তিকে একটি স্থায়ী সমঝোতা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এটি আর্কটিক অঞ্চলে ন্যাটোর ভূমিকাকে যেমন শক্তিশালী করবে, তেমনি গ্রিনল্যান্ডের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকেও মর্যাদা দেবে। চুক্তির শর্তানুসারে, গ্রিনল্যান্ডের আকাশ ও জলসীমায় মার্কিন সামরিক যান অবাধ চলাচলের অধিকার পাবে। এছাড়া ন্যাটোর সদস্য নয় এমন কোনো দেশকে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন কিংবা কৌশলগত খনিজ সম্পদে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হবে না। ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তির এই সংশোধনী কার্যকর হলে, স্নায়ুযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে গ্রিনল্যান্ডে এটিই হবে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় স্থায়ী সামরিক সম্প্রসারণ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড একটি ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিলসেন উপস্থিত ছিলেন। এই সমঝোতার মাধ্যমে উত্তর মেরু অঞ্চলে এই দ্বীপটিকে ঘিরে পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের সামনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, এই সমঝোতা গ্রিনল্যান্ডের সামগ্রিক নিরাপত্তা এবং অন্যান্য প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রকে স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ প্রদান করেছে। তিনি জানান, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে একটি 'গোল্ডেন ডোম' প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এছাড়া দ্বীপটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দ্রুত জোরদার করা হবে এবং নারসারসুয়াক ও মেস্টার্সভিগ নামক স্থানে দুটি বড় সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করবে মার্কিন বাহিনী।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এই চুক্তিকে একটি স্থায়ী সমঝোতা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এটি আর্কটিক অঞ্চলে ন্যাটোর ভূমিকাকে যেমন শক্তিশালী করবে, তেমনি গ্রিনল্যান্ডের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকেও মর্যাদা দেবে। চুক্তির শর্তানুসারে, গ্রিনল্যান্ডের আকাশ ও জলসীমায় মার্কিন সামরিক যান অবাধ চলাচলের অধিকার পাবে। এছাড়া ন্যাটোর সদস্য নয় এমন কোনো দেশকে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন কিংবা কৌশলগত খনিজ সম্পদে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হবে না। ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তির এই সংশোধনী কার্যকর হলে, স্নায়ুযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে গ্রিনল্যান্ডে এটিই হবে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় স্থায়ী সামরিক সম্প্রসারণ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin