ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে আসছে ‘দ্য ব্যাটম্যান পার্ট টু’ কৃষি মন্ত্রণালয়ে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের ‘আমলনামা’ পর্যালোচনা শুরু এশিয়ান গেমস কাবাডিতে ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ মুকসুদপুরে বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত সরকারি দরপত্রে ২০ বছরের ‘সুযোগবঞ্চিত’দের জন্য নতুন সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আয়োজিত নৈশভোজে সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাওয়ার হ্যামলেটসে স্কুল পোশাকের অনুদান বৃদ্ধি, সুবিধা পাবে আরও বেশি পরিবার লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে চার দিন ধরে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ সরবরাহ বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো তেলের দাম বিশ্বমঞ্চে দেশের মর্যাদা ও জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার প্রধানমন্ত্রীর

এআই ঝুঁকি মোকাবিলায় সংলাপে বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ৩৫

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় একযোগে কাজ করতে সম্মত হয়েছে বিশ্বের দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। এ লক্ষ্যে দুই দেশ ‘ইউএসএ-চায়না এআই ডায়ালগস’ নামে একটি আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় সংলাপ কাঠামো গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

সোমবার নিউইয়র্কে চীনের ভাইস প্রিমিয়ার হে লিফেংয়ের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পর এই নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দেন বেসেন্ট। এর আগে রোববার ম্যানহাটনে জেপি মরগ্যান চেজের সদর দপ্তরে দুই নেতার মধ্যে প্রায় আট থেকে ১২ ঘণ্টা ব্যাপী এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আসন্ন শীর্ষ বৈঠকের আগে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তি তৈরি করাই ছিল এই দীর্ঘ আলোচনার মূল লক্ষ্য। আগামী দুই মাসের মধ্যে চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর শেনঝেনে এই সংলাপ কাঠামোর পরবর্তী বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

দুই দেশের এই দ্বিপক্ষীয় সংলাপে এআই-সংক্রান্ত ঝুঁকি, নিরাপত্তা এবং যেকোনো সম্ভাব্য সংকটের সময় পারস্পরিক যোগাযোগের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে। কোনো ধরনের প্রযুক্তিগত ত্রুটি, অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনা কিংবা অনিয়ন্ত্রিত এআই ব্যবস্থার আচরণের ক্ষেত্রে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য একটি জরুরি যোগাযোগব্যবস্থা বা ‘ইনসিডেন্ট লাইন’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে দুই দেশের।

এই ব্যবস্থার আওতায় জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো এআই-সংক্রান্ত ঘটনার বিষয়ে একে অপরকে সতর্ক করার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে। বিশেষ করে অনিয়ন্ত্রিত স্বয়ংক্রিয় এআই ব্যবস্থা, সাইবার হামলা এবং রাষ্ট্রবহির্ভূত বিভিন্ন গোষ্ঠীর হাতে জৈব বা অন্যান্য বিপজ্জনক প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে এই সহযোগিতা ভূমিকা রাখবে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট মনে করেন, বিশ্বের প্রধান দুই এআই শক্তির মধ্যে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং অভিন্ন হুমকি মোকাবিলায় নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

সংলাপের পাশাপাশি এআই খাতের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর আইনি দায়মুক্তির দাবির কড়া সমালোচনা করেছেন স্কট বেসেন্ট। তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের উন্নত এআই প্রযুক্তির কারণে বড় ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকির কথা স্বীকার করে, আবার একই সঙ্গে সেই দায়বদ্ধতা থেকে অব্যাহতি চায়—তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যুক্তরাষ্ট্রের এআই কৌশলে শুধু বাণিজ্যিক দিককে প্রাধান্য না দিয়ে জাতীয় প্রতিরক্ষা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করার তাগিদ দেন তিনি। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগগুলোকেও আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান মার্কিন অর্থমন্ত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

এআই ঝুঁকি মোকাবিলায় সংলাপে বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ৩৫

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় একযোগে কাজ করতে সম্মত হয়েছে বিশ্বের দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। এ লক্ষ্যে দুই দেশ ‘ইউএসএ-চায়না এআই ডায়ালগস’ নামে একটি আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় সংলাপ কাঠামো গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

সোমবার নিউইয়র্কে চীনের ভাইস প্রিমিয়ার হে লিফেংয়ের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পর এই নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দেন বেসেন্ট। এর আগে রোববার ম্যানহাটনে জেপি মরগ্যান চেজের সদর দপ্তরে দুই নেতার মধ্যে প্রায় আট থেকে ১২ ঘণ্টা ব্যাপী এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আসন্ন শীর্ষ বৈঠকের আগে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তি তৈরি করাই ছিল এই দীর্ঘ আলোচনার মূল লক্ষ্য। আগামী দুই মাসের মধ্যে চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর শেনঝেনে এই সংলাপ কাঠামোর পরবর্তী বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

দুই দেশের এই দ্বিপক্ষীয় সংলাপে এআই-সংক্রান্ত ঝুঁকি, নিরাপত্তা এবং যেকোনো সম্ভাব্য সংকটের সময় পারস্পরিক যোগাযোগের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে। কোনো ধরনের প্রযুক্তিগত ত্রুটি, অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনা কিংবা অনিয়ন্ত্রিত এআই ব্যবস্থার আচরণের ক্ষেত্রে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য একটি জরুরি যোগাযোগব্যবস্থা বা ‘ইনসিডেন্ট লাইন’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে দুই দেশের।

এই ব্যবস্থার আওতায় জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো এআই-সংক্রান্ত ঘটনার বিষয়ে একে অপরকে সতর্ক করার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে। বিশেষ করে অনিয়ন্ত্রিত স্বয়ংক্রিয় এআই ব্যবস্থা, সাইবার হামলা এবং রাষ্ট্রবহির্ভূত বিভিন্ন গোষ্ঠীর হাতে জৈব বা অন্যান্য বিপজ্জনক প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে এই সহযোগিতা ভূমিকা রাখবে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট মনে করেন, বিশ্বের প্রধান দুই এআই শক্তির মধ্যে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং অভিন্ন হুমকি মোকাবিলায় নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

সংলাপের পাশাপাশি এআই খাতের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর আইনি দায়মুক্তির দাবির কড়া সমালোচনা করেছেন স্কট বেসেন্ট। তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের উন্নত এআই প্রযুক্তির কারণে বড় ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকির কথা স্বীকার করে, আবার একই সঙ্গে সেই দায়বদ্ধতা থেকে অব্যাহতি চায়—তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যুক্তরাষ্ট্রের এআই কৌশলে শুধু বাণিজ্যিক দিককে প্রাধান্য না দিয়ে জাতীয় প্রতিরক্ষা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করার তাগিদ দেন তিনি। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগগুলোকেও আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান মার্কিন অর্থমন্ত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh