ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের জাতিসংঘে আজ প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান না ফেরার দেশে প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রেসিডেন্ট বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, কারণ জানাল রয়টার্স টেকসই উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান ববি হাজ্জাজের স্কুলে ঢুকে ছাত্রকে মারধর, ছাত্রদল সভাপতি আজীবন বহিষ্কার আফগানিস্তানের ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন হামলা দাউদকান্দি থানায় ১৭ কিশোরের পালানোর অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের

নতুন রূপে পর্দায় ফিরলেন প্রসেনজিৎ, মুক্তি পেল ডাক্তার কাকু

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবার পর্দায় হাজির হয়েছেন এক নতুন রূপে। গত কয়েক বছরে তাঁকে পুলিশ কিংবা রহস্যভেদী কাকাবাবুর চরিত্রে দেখা গেলেও, এবার তিনি নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চিকিৎসকের চরিত্রে। পাভেল পরিচালিত ‘ডাক্তার কাকু’ নামের এই সিনেমাটি গতকাল মুক্তি পেয়েছে।

সিনেমার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাবা ও ছেলের গল্প, যেখানে দুজনেই চিকিৎসক। তবে পেশাগত দায়িত্ব এবং মানুষের প্রতি কর্তব্য নিয়ে তাঁদের চিন্তাধারায় রয়েছে বিস্তর ফারাক। ব্যক্তিগত মতপার্থক্যের পাশাপাশি রোগীর জীবন বাঁচানোর মতো জরুরি দায়িত্ব এসে যখন মুখোমুখি দাঁড়ায়, তখন সম্পর্কের টানাপোড়েনই হয়ে ওঠে ছবির প্রধান উপজীব্য।

গল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ঘিরে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক বৈষম্য। সিনেমাটি চিকিৎসার বাণিজ্যিকীকরণ, ভালো চিকিৎসার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজনীয়তা এবং পেশাগত নৈতিকতার মতো জটিল ও প্রাসঙ্গিক প্রশ্নগুলো তুলে ধরেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের কাছ থেকেও তিনি শিখতে আগ্রহী। এই সিনেমায় তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত তরুণ অভিনেতা ঋদ্ধি সেন। প্রসেনজিৎ বলেন, ‘ঋদ্ধির কোনো কাজ বা ভিডিও ভালো লাগলে মাঝরাতেও ওকে মেসেজ দিই। নতুন প্রজন্মের নিজস্ব একটি অভিনয়ের ভাষা তৈরি হয়েছে। সেই ভাষার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াও জরুরি। কোনো জটিল দৃশ্য থাকলে শুটিংয়ের আগে ঋদ্ধির সঙ্গে বসে স্ক্রিপ্ট পড়তাম।’

ছবিতে প্রসেনজিতের চরিত্রটি কেবল পেশাগত পরিচয়ে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে মিশে আছে মধ্যবিত্ত মানসিকতা, নিজস্ব বিশ্বাস ও আদর্শ। চরিত্রটি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ছবিটিতে বাঙালি মধ্যবিত্ত জীবনের পরিচিত আবহ এবং শিকড়ের কাছাকাছি থাকা বাঙালিয়ানা রয়েছে। চরিত্রটি পরিচিত মনে হলেও এমন চরিত্র আগে করা হয়নি।’

সংবাদ প্রতিদিন–এর সঙ্গে আলাপকালে প্রসেনজিৎ আরও বলেন, ‘আমি আবেগপ্রবণ মানুষ এবং অতীতের সঙ্গে যুক্ত শিকড়কে আঁকড়ে থাকতে ভালোবাসি। সিনেমাটি সেই শিকড়ের গল্প বলতে চেয়েছে। আমার জীবনেও এমন একাধিক ডাক্তার কাকু দেখেছি। তাই চরিত্রটির কথা শুনে রাজি না হয়ে পারিনি।’ উল্লেখ্য, সিনেমাটি গতকাল মুক্তি পেলেও এর নির্মাণপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল করোনা মহামারির আগে। দীর্ঘ বিরতির পর অবশেষে এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল। সিনেমাটিতে ঋদ্ধি সেন ও প্রসেনজিতের পাশাপাশি এনা সাহাও রয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন রূপে পর্দায় ফিরলেন প্রসেনজিৎ, মুক্তি পেল ডাক্তার কাকু

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবার পর্দায় হাজির হয়েছেন এক নতুন রূপে। গত কয়েক বছরে তাঁকে পুলিশ কিংবা রহস্যভেদী কাকাবাবুর চরিত্রে দেখা গেলেও, এবার তিনি নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চিকিৎসকের চরিত্রে। পাভেল পরিচালিত ‘ডাক্তার কাকু’ নামের এই সিনেমাটি গতকাল মুক্তি পেয়েছে।

সিনেমার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাবা ও ছেলের গল্প, যেখানে দুজনেই চিকিৎসক। তবে পেশাগত দায়িত্ব এবং মানুষের প্রতি কর্তব্য নিয়ে তাঁদের চিন্তাধারায় রয়েছে বিস্তর ফারাক। ব্যক্তিগত মতপার্থক্যের পাশাপাশি রোগীর জীবন বাঁচানোর মতো জরুরি দায়িত্ব এসে যখন মুখোমুখি দাঁড়ায়, তখন সম্পর্কের টানাপোড়েনই হয়ে ওঠে ছবির প্রধান উপজীব্য।

গল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ঘিরে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক বৈষম্য। সিনেমাটি চিকিৎসার বাণিজ্যিকীকরণ, ভালো চিকিৎসার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজনীয়তা এবং পেশাগত নৈতিকতার মতো জটিল ও প্রাসঙ্গিক প্রশ্নগুলো তুলে ধরেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের কাছ থেকেও তিনি শিখতে আগ্রহী। এই সিনেমায় তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত তরুণ অভিনেতা ঋদ্ধি সেন। প্রসেনজিৎ বলেন, ‘ঋদ্ধির কোনো কাজ বা ভিডিও ভালো লাগলে মাঝরাতেও ওকে মেসেজ দিই। নতুন প্রজন্মের নিজস্ব একটি অভিনয়ের ভাষা তৈরি হয়েছে। সেই ভাষার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াও জরুরি। কোনো জটিল দৃশ্য থাকলে শুটিংয়ের আগে ঋদ্ধির সঙ্গে বসে স্ক্রিপ্ট পড়তাম।’

ছবিতে প্রসেনজিতের চরিত্রটি কেবল পেশাগত পরিচয়ে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে মিশে আছে মধ্যবিত্ত মানসিকতা, নিজস্ব বিশ্বাস ও আদর্শ। চরিত্রটি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ছবিটিতে বাঙালি মধ্যবিত্ত জীবনের পরিচিত আবহ এবং শিকড়ের কাছাকাছি থাকা বাঙালিয়ানা রয়েছে। চরিত্রটি পরিচিত মনে হলেও এমন চরিত্র আগে করা হয়নি।’

সংবাদ প্রতিদিন–এর সঙ্গে আলাপকালে প্রসেনজিৎ আরও বলেন, ‘আমি আবেগপ্রবণ মানুষ এবং অতীতের সঙ্গে যুক্ত শিকড়কে আঁকড়ে থাকতে ভালোবাসি। সিনেমাটি সেই শিকড়ের গল্প বলতে চেয়েছে। আমার জীবনেও এমন একাধিক ডাক্তার কাকু দেখেছি। তাই চরিত্রটির কথা শুনে রাজি না হয়ে পারিনি।’ উল্লেখ্য, সিনেমাটি গতকাল মুক্তি পেলেও এর নির্মাণপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল করোনা মহামারির আগে। দীর্ঘ বিরতির পর অবশেষে এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল। সিনেমাটিতে ঋদ্ধি সেন ও প্রসেনজিতের পাশাপাশি এনা সাহাও রয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo