বাবুগঞ্জে গাঁজা সেবনের প্রতিবাদ করায় দুই যুবকের মাথা ফাটাল হামলাকারীরা
- আপডেট সময় : ১১:১৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

বরিশালের বাবুগঞ্জে গাঁজা সেবনের প্রতিবাদ করার জেরে দুই যুবককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় আহত মেহেদী হাসান (২৬) ও মো. রিমন (২০) নামের দুই যুবকের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের সিংহেরকাঠী গ্রামের ছোট মীরগঞ্জ এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত মেহেদী হাসান রহমতপুর ইউনিয়নের কুমাড়িয়ারপিঠ এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে এবং রিমন একই এলাকার মো. মনির ঘরামীর ছেলে। তারা পেশায় জেলে এবং মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে চাঁদপাশা ইউনিয়নের কিসমত এলাকার কয়েকজন যুবক নদীর পূর্ব পাড়ে কুমাড়িয়ারপিঠ এলাকায় ঘুরতে যান। সেখানে রাস্তার পাশে বসে গাঁজা সেবনের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের ধাওয়া দেন। ওই ঘটনার জেরে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুমাড়িয়ারপিঠ এলাকার দুই জেলে মাছ বিক্রির জন্য ছোট মীরগঞ্জ বাজারে গেলে কিসমত এলাকার কয়েকজন যুবক তাদের ডেকে নেন। এ সময় কিসমত এলাকার মৃত শাহজাহানের ছেলে মো. সারাফাত এবং হারুন মাস্টারের ছেলে মো. মুন্নাসহ কয়েকজন মেহেদী ও রিমনকে মারধরের হুমকি দেন। পরে স্থানীয়রা এসে দুই পক্ষের কথা-কাটাকাটি থামিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
তবে এর কিছুক্ষণ পরই রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় মেহেদী ও রিমনের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। রহমতপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. জামাল হোসেন পুতুল ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, রিমন ও মেহেদী তার পাশেই একটি চায়ের দোকানে বসে ছিল। হঠাৎ কিসমত এলাকার সারাফাত ও মুন্নাসহ কয়েকজন যুবক সেখানে আসে এবং কিছু বুঝে ওঠার আগেই সারাফাত লাঠি দিয়ে রিমন ও মেহেদীর মাথায় আঘাত করেন। এতে তারা রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান。
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আইয়ুব আলী হাওলাদারও একই কথা জানান। তিনি বলেন, তিনি পাশেই ছিলেন এবং হঠাৎ সারাফাত এসে লাঠি দিয়ে রিমন ও মেহেদীর মাথায় আঘাত করে চলে যায়।
এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হামলার ঘটনার পর থেকে এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে।
প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১: ১৬আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১: ১৭
এর কিছুক্ষণ পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে সারাফাতসহ ৭-৮ জন যুবক দোকানে বসে থাকা মেহেদী ও রিমনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ। এতে দুজনের মাথায় আঘাত লাগে এবং তাঁরা রক্তাক্ত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।





























