বিদ্যুতে অন্য দেশের ওপর নির্ভর করতে চাই না: প্রতিমন্ত্রী পুতুল
- আপডেট সময় : ০৪:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪: ৩৪ (14-09-2026, 04:34)
বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বাবলম্বী হতে চায় এবং এ জন্য অন্য কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল থাকতে রাজি নয় বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার এমন একটি টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে যেখানে নিজস্ব সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। অন্য দেশ বিদ্যুৎ দিলে আমাদের এখানে আলো জ্বলবে আর না দিলে বন্ধ হয়ে যাবে—এমন পরিস্থিতি এড়াতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।
গত রোববার রাতে নাটোরের লালপুর উপজেলার মাধবপুর শ্রী শ্রী কালীমাতা মন্দির কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কথা স্বীকার করে ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, এই সমস্যাগুলো দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ফল। তাই হঠাৎ করে সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়, তবে সরকার পর্যায়ক্রমে এগুলো সমাধানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নয়নে সরকারের নতুন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বাড়ি বাড়ি সোলার প্রজেক্টের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ নিজেদের প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহারের পাশাপাশি অতিরিক্ত অংশ সরকারের কাছে বিক্রি করতে পারবেন। প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী চার-পাঁচ বছর পর দেশে বিদ্যুতের আর কোনো সমস্যা থাকবে না। তবে এর জন্য মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না, বরং পর্যায়ক্রমে লোডশেডিং কমিয়ে এনে দ্রুতই স্বস্তি ফিরিয়ে আনা হবে।
বিগত ১৭-১৮ বছরে দেশের মানুষের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ব্যবধানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের মধ্যে শুধু না পাওয়ার ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকারকে এখন মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে। এছাড়া পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বাবা-মায়ের ভালোবাসা সবসময় নিম্নগামী হয় এবং এটিই প্রকৃতির নিয়ম। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সমঅধিকারের বিষয়টির ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য করা হয় না; মসজিদে বরাদ্দ দেওয়া হলে মন্দিরেও সমভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়।


























