ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কারিগরি ত্রুটিতে স্থবির বাংলাদেশের অনলাইন ভিসা আবেদন কার্যক্রম দেশের বাজারে কমল সোনার দাম, নতুন দর কার্যকর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়িতে বিকট শব্দে ১৫-২০টি ককটেল বিস্ফোরণ কর্নেল ইউনিভার্সিটিতে মাদক খাইয়ে গণধর্ষণ: নতুন ফৌজদারি তদন্ত যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলাদা আলোচনায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র প্যারিসের র‍্যাম্পে ঐশ্বরিয়ার গ্ল্যামারাস উপস্থিতি ও মুগ্ধতা ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন মোড়: আলোচনায় ‘রিসেট’ ও প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশে বড় পরিবর্তনের আভাস মির্জাগঞ্জে সংস্কারের তিন মাসেই ফের চলাচলের অযোগ্য আঞ্চলিক সড়ক দুই দিন পর নওগাঁয় স্বাভাবিক হলো বাস চলাচল

দুই বছর পর তিতাস নদীতে ফিরল ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ১১। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নদীতে দীর্ঘ দুই বছর পর আবারও ফিরে এল ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। বাংলা সংস্কৃতির প্রাচীন এই ধারাকে টিকিয়ে রাখতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাটি ঘিরে তিতাস নদীর দুই তীরে প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষের ঢল নামে। দুপুরের পর থেকেই নদীর দুপাশ, গাছের ডাল এমনকি বাড়ির ছাদেও ভিড় জমান দর্শকরা।

প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ১০টি নৌকা ৪টি পর্বে অংশ নেয়। তিতাস নদীর বুক চিরে অদম্য গতিতে ছুটে চলা নৌকাগুলোর মাঝিদের ‘হেঁইও হেঁইও’ ধ্বনি এবং জারি-সারি গানের সুরে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। কাশি-করতালের তালে বৈঠার ছন্দে উত্তাল হয়ে ওঠে শান্ত তিতাস। এই প্রতিযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার শাপলা বয়েজ ক্লাব বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

অনুষ্ঠানে প্রথম স্থান অর্জনকারী দলকে ২ লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারীকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে ১ লাখ টাকা ও ট্রফি প্রদান করা হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলকে ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মিলন মিয়া ও সাত্তার মিয়া জানান, নৌকা বাইচ তাদের প্রাণের সঙ্গে মিশে আছে এবং এই আয়োজন ঘিরে নদী ও নদীর পাড় পরিষ্কার করায় তারা দারুণ খুশি। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া মাঝিরা জানান, জয়-পরাজয়ের চেয়ে উৎসবের আনন্দটাই তাদের কাছে বড়। জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচের সংস্কৃতি ধারাবাহিকভাবে চলমান থাকবে। সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, নৌকা বাইচের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংস্কৃতির রাজধানী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

দুই বছর পর তিতাস নদীতে ফিরল ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

আপডেট সময় : ০১:৫১:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ১১। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নদীতে দীর্ঘ দুই বছর পর আবারও ফিরে এল ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। বাংলা সংস্কৃতির প্রাচীন এই ধারাকে টিকিয়ে রাখতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাটি ঘিরে তিতাস নদীর দুই তীরে প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষের ঢল নামে। দুপুরের পর থেকেই নদীর দুপাশ, গাছের ডাল এমনকি বাড়ির ছাদেও ভিড় জমান দর্শকরা।

প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ১০টি নৌকা ৪টি পর্বে অংশ নেয়। তিতাস নদীর বুক চিরে অদম্য গতিতে ছুটে চলা নৌকাগুলোর মাঝিদের ‘হেঁইও হেঁইও’ ধ্বনি এবং জারি-সারি গানের সুরে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। কাশি-করতালের তালে বৈঠার ছন্দে উত্তাল হয়ে ওঠে শান্ত তিতাস। এই প্রতিযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার শাপলা বয়েজ ক্লাব বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

অনুষ্ঠানে প্রথম স্থান অর্জনকারী দলকে ২ লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারীকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে ১ লাখ টাকা ও ট্রফি প্রদান করা হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলকে ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মিলন মিয়া ও সাত্তার মিয়া জানান, নৌকা বাইচ তাদের প্রাণের সঙ্গে মিশে আছে এবং এই আয়োজন ঘিরে নদী ও নদীর পাড় পরিষ্কার করায় তারা দারুণ খুশি। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া মাঝিরা জানান, জয়-পরাজয়ের চেয়ে উৎসবের আনন্দটাই তাদের কাছে বড়। জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচের সংস্কৃতি ধারাবাহিকভাবে চলমান থাকবে। সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, নৌকা বাইচের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংস্কৃতির রাজধানী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh