ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

বিগত সরকারের লোক দেখানো তৎপরতায় রোহিঙ্গা সংকট জটিল হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার পরিবর্তে লোক দেখানো তৎপরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তাদের এই ভূমিকার কারণে সংকটটি আরও দীর্ঘায়িত ও জটিল আকার ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক—সব পর্যায়ে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে সরকার এই সংকটের টেকসই সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে। এই সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর স্থায়ী সমাধানও তাদের ওপরেই নির্ভর করছে। বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গা সংকটকে বিশ্বমঞ্চে জোরালোভাবে তুলে ধরার বিষয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে এই সংকটকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা হচ্ছে। বন্ধু রাষ্ট্র, দাতা দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। প্রচলিত কূটনীতির পাশাপাশি ট্র্যাক ১.৫ ও ট্র্যাক ২ কূটনীতির সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে সরকার।

তিনি আরও জানান, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি 'রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি' এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে 'ক্যাম্পের শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটি' গঠন করা হয়েছে। এছাড়া, আসন্ন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সরকার একটি উচ্চ পর্যায়ের বিশেষ ইভেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী প্রধান বক্তা হিসেবে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট ও প্রত্যাবাসনের পক্ষে বৈশ্বিক সমর্থন আরও সুসংহত হবে।

সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ আব্দুল খালেকের প্রশ্নের জবাবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার আন্তরিক, তবে তা অবশ্যই সমমর্যাদার ভিত্তিতে হতে হবে। সীমান্ত এলাকার বাংলাদেশি নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বৈধ পথে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা চলছে।

সীমান্তে পুশইন বা পুশইনের প্রচেষ্টা নিয়ে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের যেকোনো ঘটনাকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশের গভীর উদ্বেগ জানানোর পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সীমান্তে পুশইন রোধে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সংরক্ষিত আসনের নিপুন রায় চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের জন্য বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো একটি সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক রোডম্যাপের আওতায় কাজ করছে। সরকারের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে এফডিআই-কে জিডিপির ২.৭ শতাংশে এবং সামগ্রিক বিনিয়োগকে ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিভিন্ন দেশের কারাগারে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার ৬৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক বন্দী রয়েছেন। যারা বিদেশে গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করছেন, তারা সংশ্লিষ্ট দেশের আইনি প্রক্রিয়ার অধীন। ফলে সেই দেশের আইনি ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেই বাংলাদেশকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়।

জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে ড. খলিলুর রহমান জানান, বর্তমানে বিশ্বের ৬৩টি দেশে বাংলাদেশের মোট ৮৬টি কূটনৈতিক মিশন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী স্বীকার করেন যে, বিগত সরকারের আমলে অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর কার্যক্রমে দুর্বলতা ছিল। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দূতাবাসগুলোকে একটি কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে এসেছে।

কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রযুক্তি একটি অত্যন্ত জটিল, ব্যয়বহুল এবং কৌশলগত নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত বিষয়। রাশিয়ার সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই প্রযুক্তির সক্ষমতা অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই এই কেন্দ্রের ইউনিট-১-এর কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া, দেশে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের লক্ষ্যে স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর) প্রযুক্তি স্থাপনের সম্ভাবনা এবং এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে সম্ভাব্য অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক যোগাযোগ শুরু হলেও আলোচনা এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৩২আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৩৩

সংরক্ষিত আসনের নিপুন রায় চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলো সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক রোডম্যাপের আওতায় কাজ করছে। সরকারের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলের আওতায় ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে এফডিআই জিডিপির ২ দশমিক ৭ শতাংশ ও সামগ্রিক বিনিয়

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

বিগত সরকারের লোক দেখানো তৎপরতায় রোহিঙ্গা সংকট জটিল হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার পরিবর্তে লোক দেখানো তৎপরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তাদের এই ভূমিকার কারণে সংকটটি আরও দীর্ঘায়িত ও জটিল আকার ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক—সব পর্যায়ে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে সরকার এই সংকটের টেকসই সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে। এই সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর স্থায়ী সমাধানও তাদের ওপরেই নির্ভর করছে। বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গা সংকটকে বিশ্বমঞ্চে জোরালোভাবে তুলে ধরার বিষয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে এই সংকটকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা হচ্ছে। বন্ধু রাষ্ট্র, দাতা দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। প্রচলিত কূটনীতির পাশাপাশি ট্র্যাক ১.৫ ও ট্র্যাক ২ কূটনীতির সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে সরকার।

তিনি আরও জানান, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি 'রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি' এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে 'ক্যাম্পের শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটি' গঠন করা হয়েছে। এছাড়া, আসন্ন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সরকার একটি উচ্চ পর্যায়ের বিশেষ ইভেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী প্রধান বক্তা হিসেবে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট ও প্রত্যাবাসনের পক্ষে বৈশ্বিক সমর্থন আরও সুসংহত হবে।

সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ আব্দুল খালেকের প্রশ্নের জবাবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার আন্তরিক, তবে তা অবশ্যই সমমর্যাদার ভিত্তিতে হতে হবে। সীমান্ত এলাকার বাংলাদেশি নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বৈধ পথে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা চলছে।

সীমান্তে পুশইন বা পুশইনের প্রচেষ্টা নিয়ে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের যেকোনো ঘটনাকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশের গভীর উদ্বেগ জানানোর পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সীমান্তে পুশইন রোধে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সংরক্ষিত আসনের নিপুন রায় চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের জন্য বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো একটি সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক রোডম্যাপের আওতায় কাজ করছে। সরকারের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে এফডিআই-কে জিডিপির ২.৭ শতাংশে এবং সামগ্রিক বিনিয়োগকে ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিভিন্ন দেশের কারাগারে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার ৬৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক বন্দী রয়েছেন। যারা বিদেশে গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করছেন, তারা সংশ্লিষ্ট দেশের আইনি প্রক্রিয়ার অধীন। ফলে সেই দেশের আইনি ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেই বাংলাদেশকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়।

জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে ড. খলিলুর রহমান জানান, বর্তমানে বিশ্বের ৬৩টি দেশে বাংলাদেশের মোট ৮৬টি কূটনৈতিক মিশন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী স্বীকার করেন যে, বিগত সরকারের আমলে অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর কার্যক্রমে দুর্বলতা ছিল। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দূতাবাসগুলোকে একটি কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে এসেছে।

কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রযুক্তি একটি অত্যন্ত জটিল, ব্যয়বহুল এবং কৌশলগত নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত বিষয়। রাশিয়ার সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই প্রযুক্তির সক্ষমতা অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই এই কেন্দ্রের ইউনিট-১-এর কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া, দেশে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের লক্ষ্যে স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর) প্রযুক্তি স্থাপনের সম্ভাবনা এবং এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে সম্ভাব্য অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক যোগাযোগ শুরু হলেও আলোচনা এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৩২আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৩৩

সংরক্ষিত আসনের নিপুন রায় চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলো সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক রোডম্যাপের আওতায় কাজ করছে। সরকারের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলের আওতায় ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে এফডিআই জিডিপির ২ দশমিক ৭ শতাংশ ও সামগ্রিক বিনিয়

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh