প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয়ে ঢোকার চেষ্টা, যুবক ৫ দিনের রিমান্ডে
- আপডেট সময় : ০৫:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ফার্মগেটে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢোকার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার মো. মহিবুল্লাহ মুবিনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আসাদুর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, মুবিনের সঙ্গে থাকা পলাতক সহযোগীদের পরিচয়, নাম-ঠিকানা ও অবস্থান শনাক্ত করা প্রয়োজন। এছাড়া তিনি কার নির্দেশে বা প্ররোচনায় ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন এবং ঘটনার আগে ও পরে কার কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তা যাচাই করতে তাকে পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। পাশাপাশি মুবিনের কাছ থেকে জব্দ করা দুটি পাসপোর্টের মালিকানা, ব্যবহারের কারণ এবং মোটরসাইকেলটি কোথা থেকে আনা হয়েছিল ও ঘটনার সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্তের স্বার্থে যাচাই করা প্রয়োজন বলে আবেদনে বলা হয়।
তবে রিমান্ডের বিরোধিতা করে আসামিপক্ষের আইনজীবী রবিউল ইসলাম জুয়েল জামিনের আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি দাবি করেন, মুবিন সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। আইনজীবী বলেন, শখের বসে প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি দেখার উদ্দেশ্যেই তিনি গাড়িবহরের সামনে গিয়েছিলেন এবং তার সঙ্গে নাশকতা করার মতো কোনো জিনিসপত্র ছিল না। যে কোনো শর্তে তার জামিন দেওয়ার আবেদন জানান আইনজীবী।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে তেজগাঁও থানাধীন মনিপুরীপাড়ায় কেআইবি অডিটোরিয়ামের সামনে থেকে মুবিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে তখন ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা চলছিল এবং একই সময়ে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করছিলেন। গ্রেপ্তারের সময় মুবিনের কাছ থেকে একটি ইয়ামাহা এফজেডএস-১৫০ সিসি মোটরসাইকেল, দুটি পাসপোর্ট, দুটি অপ্পো মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।



























