ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেস্ট জিততে বাংলাদেশের চাই ৭ উইকেট, আফগানদের ৩৪৭ রান উত্তর ইসরাইলে বিস্ফোরণে কিশোর নিহত, নেতানিয়াহুর সফর বাতিল নারায়ণগঞ্জে প্রতিপক্ষের গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলী নিহত ২১ জানুয়ারি থেকে ৫ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ঘোষণা সৌরবিদ্যুৎ ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক মদনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত জাতীয় কন্যাশিশু দিবস দুর্গাপূজায় সারাদেশে ১০ হাজার বিজিবি, থাকছে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা ও ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তা চাইলেন মামুনুল হক সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ পুনর্বিবেচনার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের ইমরান খানের দলের শত শত নেতাকর্মী আটক, আন্দোলন স্তিমিত

মালয়েশিয়ায় ভিসাহীন বাংলাদেশিদের দেশে ফেরার আহ্বান হাইকমিশনের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৩:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত ভিসাবিহীন ও নথিবিহীন বাংলাদেশি নাগরিকদের 'মাইগ্র্যান্ট রিপেট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০' (বিআরএম ২.০)-এর আওতায় নিরাপদে ও আইনসম্মত উপায়ে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ আহ্বান জানান বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) তরিকুল ইসলাম।

ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, মালয়েশিয়া সরকার অনিয়মিত ও কাগজপত্রহীন বিদেশি নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে নিরাপদে ফেরার সুযোগ দিতে এই কর্মসূচি চালু রেখেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে কোনো আইনি জটিলতা ছাড়াই অনিয়মিত প্রবাসীরা নিরাপদে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করতে পারবেন।

হাইকমিশনের প্রথম সচিব জানান, এই কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের অবশ্যই বৈধ ও মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট থাকতে হবে। যাদের পাসপোর্ট নেই কিংবা মেয়াদের সময়সীমা পার হয়ে গেছে, তারা কুয়ালালামপুর বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট (টিপি) সংগ্রহ করতে পারবেন।

এরপর দেশে ফেরার জন্য নিশ্চিত বিমান টিকিট কাটতে হবে। মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের নিয়মানুযায়ী, ইমিগ্রেশনে অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখের অন্তত ৫ দিন পর থেকে ১৪ দিনের মধ্যে বিমানের যাত্রার তারিখ নির্ধারণ করার শর্ত দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীকে নিজে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত ইমিগ্রেশন অফিসে আবেদন জমা দিতে হবে। এ কাজে কোনো প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষের সাহায্য নেওয়ার সুযোগ নেই।

আবেদনপত্রের সাথে মূল পাসপোর্ট অথবা ট্রাভেল পারমিট পাসপোর্টের বায়োডাটা পাতার কপি, সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন পাসের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পুরোনো ও নতুন—উভয় পাসপোর্টের কপি), এবং বাংলাদেশে ফেরার বৈধ ও নিশ্চিত বিমান টিকিট জমা দিতে হবে। এছাড়া সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফি ও জরিমানা ইমিগ্রেশন বিভাগের অনুমোদিত উপায়ে পরিশোধ করতে হবে। তবে চূড়ান্ত আবেদনের আগে ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে ফি ও শর্তের সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিআরএম ২.০ কর্মসূচির আবেদন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয় উল্লেখ করে প্রথম সচিব সতর্ক করেন যে, এ জন্য কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীকে টাকা দেওয়া যাবে না। কেউ দ্রুত কাজ করে দেওয়া বা বিশেষ সুবিধার প্রলোভন দেখালে তাতে প্ররোচিত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে দেশে ফিরতে আগ্রহী প্রবাসীদের অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন অফিস ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ায় ভিসাহীন বাংলাদেশিদের দেশে ফেরার আহ্বান হাইকমিশনের

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত ভিসাবিহীন ও নথিবিহীন বাংলাদেশি নাগরিকদের 'মাইগ্র্যান্ট রিপেট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০' (বিআরএম ২.০)-এর আওতায় নিরাপদে ও আইনসম্মত উপায়ে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ আহ্বান জানান বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) তরিকুল ইসলাম।

ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, মালয়েশিয়া সরকার অনিয়মিত ও কাগজপত্রহীন বিদেশি নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে নিরাপদে ফেরার সুযোগ দিতে এই কর্মসূচি চালু রেখেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে কোনো আইনি জটিলতা ছাড়াই অনিয়মিত প্রবাসীরা নিরাপদে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করতে পারবেন।

হাইকমিশনের প্রথম সচিব জানান, এই কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের অবশ্যই বৈধ ও মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট থাকতে হবে। যাদের পাসপোর্ট নেই কিংবা মেয়াদের সময়সীমা পার হয়ে গেছে, তারা কুয়ালালামপুর বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট (টিপি) সংগ্রহ করতে পারবেন।

এরপর দেশে ফেরার জন্য নিশ্চিত বিমান টিকিট কাটতে হবে। মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের নিয়মানুযায়ী, ইমিগ্রেশনে অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখের অন্তত ৫ দিন পর থেকে ১৪ দিনের মধ্যে বিমানের যাত্রার তারিখ নির্ধারণ করার শর্ত দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীকে নিজে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত ইমিগ্রেশন অফিসে আবেদন জমা দিতে হবে। এ কাজে কোনো প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষের সাহায্য নেওয়ার সুযোগ নেই।

আবেদনপত্রের সাথে মূল পাসপোর্ট অথবা ট্রাভেল পারমিট পাসপোর্টের বায়োডাটা পাতার কপি, সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন পাসের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পুরোনো ও নতুন—উভয় পাসপোর্টের কপি), এবং বাংলাদেশে ফেরার বৈধ ও নিশ্চিত বিমান টিকিট জমা দিতে হবে। এছাড়া সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফি ও জরিমানা ইমিগ্রেশন বিভাগের অনুমোদিত উপায়ে পরিশোধ করতে হবে। তবে চূড়ান্ত আবেদনের আগে ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে ফি ও শর্তের সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিআরএম ২.০ কর্মসূচির আবেদন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয় উল্লেখ করে প্রথম সচিব সতর্ক করেন যে, এ জন্য কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীকে টাকা দেওয়া যাবে না। কেউ দ্রুত কাজ করে দেওয়া বা বিশেষ সুবিধার প্রলোভন দেখালে তাতে প্ররোচিত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে দেশে ফিরতে আগ্রহী প্রবাসীদের অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন অফিস ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din