ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোনালদোকে বেঞ্চে বসিয়ে নরওয়ের মাঠে জয় পেল পর্তুগাল দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীদের জন্য বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা ও প্রাণহানির ঝুঁকি ইসলামের দৃষ্টিতে কথা বলার আদব ও শিষ্টাচার গোপনে আবুধাবি সফরে নেতানিয়াহু, বৈঠক আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্ক সুন্দর ও দৃঢ় করতে সালামের গুরুত্ব অপরিসীম আশুলিয়ায় উচ্ছেদ অভিযানে আনসার-হকার সংঘর্ষ, আহত ৪ শরীয়তপুর পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে তালা ভেঙে ল্যাপটপ ও ট্যাব চুরি এইচএসসি উত্তীর্ণদের শিক্ষাবৃত্তি দেবে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন আজকের পর্দায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচসহ নেশন্স লিগের ফুটবল লড়াই কাশীয়ানীতে ১৯৮ ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

মিটার সংযোগের আগেই মাদারগঞ্জে গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায় এক গ্রাহকের নামে নতুন মিটার সংযোগের আগেই ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল ইস্যু করা হয়েছে। ভুক্তভোগী গ্রাহক শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় ইতিমধ্যে দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। নতুন একটি মিটারের জন্য আবেদন করলেও সেটি এখনো স্থাপন করা হয়নি বা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। তবুও তার নামে বিলের কাগজ এসেছে।

শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাসায় চারটি মিটারের পাশাপাশি নতুন মিটারের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কিন্তু তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে, যার মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল ধরা হয়েছে ৬৯২ টাকা। এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে বিল তৈরি হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী এবং বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান জানান, গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে মিটার বা সংযোগ না থাকলেও বিল করা যায় কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্বীকার করেন যে এটি ভুল হয়েছে। জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম জানান, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এই সমস্যা হয়েছে। তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কীভাবে গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হলো, তার সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি। এছাড়া মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিনও বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাসায় চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও তৈরি করা হয়েছে। তবে তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল ধরা হয়েছে ৬৯২ টাকা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

মিটার সংযোগের আগেই মাদারগঞ্জে গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায় এক গ্রাহকের নামে নতুন মিটার সংযোগের আগেই ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল ইস্যু করা হয়েছে। ভুক্তভোগী গ্রাহক শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় ইতিমধ্যে দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। নতুন একটি মিটারের জন্য আবেদন করলেও সেটি এখনো স্থাপন করা হয়নি বা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। তবুও তার নামে বিলের কাগজ এসেছে।

শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাসায় চারটি মিটারের পাশাপাশি নতুন মিটারের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কিন্তু তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে, যার মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল ধরা হয়েছে ৬৯২ টাকা। এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে বিল তৈরি হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী এবং বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান জানান, গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে মিটার বা সংযোগ না থাকলেও বিল করা যায় কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্বীকার করেন যে এটি ভুল হয়েছে। জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম জানান, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এই সমস্যা হয়েছে। তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কীভাবে গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হলো, তার সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি। এছাড়া মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিনও বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাসায় চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও তৈরি করা হয়েছে। তবে তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল ধরা হয়েছে ৬৯২ টাকা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din