জ্বালানি সংকট: এলএনজি আমদানিতে অনিশ্চয়তা ও কমছে দেশীয় উৎপাদন
- আপডেট সময় : ১০:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ এখন আর কেবল বিশেষজ্ঞ বা শিল্পোদ্যোক্তাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি সংকটের কারণে লোডশেডিং এবং সিএনজি স্টেশনে গাড়ির দীর্ঘ সারি—সব মিলিয়ে অর্থনীতির প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি স্থায়ীভাবে স্বাভাবিক করতে সরকার অন্তত দুই বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে। তবে এই আশ্বাসের বিপরীতে রয়েছে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। একদিকে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও বৈদেশিক মুদ্রার মজুত এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রে বড় অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। ফলে দুই বছর পর জ্বালানি খাতের অবস্থা কী দাঁড়াবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জ্বালানি ও বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহের ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শিল্পকারখানার উৎপাদন কমে গেছে, আবার কোথাও কোথাও উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এই দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে বড় ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোর চিত্র এই সংকটের তীব্রতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ লাইন লেগেই থাকছে। গ্যাসের চাপ কম হওয়ার কারণে অনেক চালক তাদের গাড়িতে নির্ধারিত পরিমাণ গ্যাস নিতে পারছেন না, যার ফলে দিনের মধ্যে একাধিকবার স্টেশনে ভিড় করতে হচ্ছে। এতে চালকদের সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আয়ও কমে যাচ্ছে। আবাসিক এলাকাগুলোতেও গ্যাসের সংকট প্রকট, যার ফলে রান্নার চুলা নিয়মিত জ্বালাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।





























