ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে ব্যর্থতার সুযোগ নেই: রুহুল আমিন হাওলাদার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নাটোর সদর উপজেলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মারা গেলেন মাদ্রাসা শিক্ষক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের মঞ্চে ট্রাম্পের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট ওমান উপকূলে মিসাইল হামলার কবলে বাংলাদেশি নাবিকদের জাহাজ ইবির সাদ্দাম হলের একই কক্ষের তিন বন্ধু হলেন সিভিল জজ যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান

ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে ‘যুদ্ধ’ বলতে নারাজ জেডি ভ্যান্স

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে কোনো গোলাগুলি চলছে না, তবে কিছু জায়গায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই সংঘাত কবে নাগাদ শেষ হবে, তার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা তার জানা নেই।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে এবং এ সপ্তাহে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভ্যান্স জানান, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক তেল পরিবহনে ইরান যেন আর বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলা বন্ধ হলেই কেবল এই সংঘাতের অবসান ঘটবে।

এই সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম জুলাই মাসের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র দেশটির উপকূলীয় এলাকায় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায়। ভ্যান্স দাবি করেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ বড় ধরনের বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট এড়াতে সহায়তা করেছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েন রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এ অঞ্চলে সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়ে প্রায় ২০টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। ইউরোপ ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সেনা সরিয়ে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে, যেখানে অনেক ক্ষেত্রে সেনাদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার লড়াইয়ের পাশাপাশি এই যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন কমিয়ে দিয়েছে এবং গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে ‘যুদ্ধ’ বলতে নারাজ জেডি ভ্যান্স

আপডেট সময় : ১০:৩৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে কোনো গোলাগুলি চলছে না, তবে কিছু জায়গায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই সংঘাত কবে নাগাদ শেষ হবে, তার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা তার জানা নেই।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে এবং এ সপ্তাহে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভ্যান্স জানান, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক তেল পরিবহনে ইরান যেন আর বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলা বন্ধ হলেই কেবল এই সংঘাতের অবসান ঘটবে।

এই সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম জুলাই মাসের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র দেশটির উপকূলীয় এলাকায় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায়। ভ্যান্স দাবি করেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ বড় ধরনের বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট এড়াতে সহায়তা করেছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েন রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এ অঞ্চলে সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়ে প্রায় ২০টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। ইউরোপ ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সেনা সরিয়ে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে, যেখানে অনেক ক্ষেত্রে সেনাদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার লড়াইয়ের পাশাপাশি এই যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন কমিয়ে দিয়েছে এবং গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo