ইবিতে কুহরণের ‘মেঘ ও সন্ধ্যার গান’ উৎসব অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৪:৩৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বটতলায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মেঘ ও সন্ধ্যার গান’ উৎসব। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মিউজিক অ্যাসোসিয়েশন (কুহরণ)’ এই বিশেষ উৎসবের আয়োজন করে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার উদ্দেশ্যে সংগঠনটির সাবেক ও নতুন সদস্য এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপস্থিত দর্শকদের গাঁদা ফুল ছিটিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।
উৎসবের এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন কুহরণের সাবেক সভাপতি ইশতিয়াক ফেরদৌস ইমন, বর্তমান সভাপতি সাকিব হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক জারিন তাসনিম পুষ্পসহ অন্যান্য সদস্যরা। এছাড়াও ক্যাম্পাসে সক্রিয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জারিন তাসনিম পুষ্প বলেন, নবীন সদস্যদের বরণ করার পাশাপাশি সংগঠনের সাবেক ও প্রবীণ সদস্যদের সাথে নতুনদের যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে, তা কমিয়ে আনাই ছিল এই আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য। অনেক নতুন সদস্য সাবেক কর্মকর্তাদের চেনেন না, যার ফলে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়ে ওঠে না। এই দূরত্ব ঘুচিয়ে সবার মধ্যে একটি সুন্দর ও আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি।
অনুষ্ঠানের নামকরণ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এখন বর্ষাকাল হওয়ায় চারপাশের প্রকৃতিতে মেঘ ও বৃষ্টির এক দারুণ আবহ বিরাজ করছে। প্রকৃতির এই রূপকে ধারণ করেই অনুষ্ঠানের নাম রাখা হয়েছে ‘মেঘ ও সন্ধ্যার গান’। অনুষ্ঠানে মূলত আগমনী গান, বৃষ্টির গান, মেঘ ও সন্ধ্যার গানসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় বাংলা গান পরিবেশন করা হয়।
সংগঠনটির সভাপতি মো. সাকিব হোসেন জানান, ‘আরশীনগর প্রেজেন্টস—মেঘ ও সন্ধ্যার গান’ মূলত নতুন সদস্যদের বরণ করা এবং প্রবীণদের সঙ্গে একটি মেলবন্ধন তৈরির প্রয়াস। সাধারণত ঋতুভিত্তিক আয়োজনে বর্ষা ও বৃষ্টি উদযাপনের সুযোগ কম থাকে, সেই চিন্তা থেকেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রবীণদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং নবীনদের উদ্দীপনার এই সেতুবন্ধন মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের সাংস্কৃতিক ধারাকে আরও গতিশীল করবে এবং ক্যাম্পাসে সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক চর্চায় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।





























