ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে, এবার ৪ দিনের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করে নিপীড়িত হয়েছেন রুহুল আমিন গাজী: রিজভী তুরস্কের শানলিউরফায় ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত ইসলামাবাদে পিটিআইয়ের মিছিল ঘিরে দেশজুড়ে ধরপাকড় ও কড়াকড়ি ৫১তম বিসিএসে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, আবেদন শুরু ১ অক্টোবর জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশনের আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা: নিহত ৪, পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

ডিজিটাল যুগে ফিকে হচ্ছে হাতে লেখা চিঠির চিরচেনা আবেগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:০০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষ এবং ডিজিটাল বার্তার ভিড়ে আমরা ক্রমশ হারিয়ে ফেলছি হাতে লেখা চিঠির চিরচেনা আবেগ। হলুদ খামের সেই নস্টালজিয়া, প্রিয়জনের হাতের লেখার উষ্ণতা, পুরোনো স্মৃতির অমূল্য দলিল কিংবা মনের অব্যক্ত কথাগুলো লিখে প্রশান্তি পাওয়ার সেই গল্প এখন অনেকটাই বিলুপ্তপ্রায়। চিঠির সেই হারানো আবেদন ও অনুভূতির কথাগুলো নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ভাবনার মাধ্যমে সংকলন করেছেন আমানুর রহমান।

চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী অন্তি বড়ুয়া জানান, পুরোনো দিনের সেই চিরায়ত হলুদ খাম আর ডাকপিয়নের সাইকেলের টুংটাং শব্দ আজও হৃদয়ে গভীর নস্টালজিয়া জাগায়। চিঠি কেবল এক টুকরো কাগজ ছিল না, বরং তা ছিল না-বলা কথা, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং প্রিয়জনের স্পর্শমাখা এক জীবন্ত আবেগ। সন্তানের চিঠির অপেক্ষায় থাকা মায়ের উদ্বিগ্ন চোখ কিংবা ভালোবাসার মানুষের বার্তার জন্য প্রিয়জনের প্রহর গোনা—এসবই ছিল প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বর্তমান প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগে চিঠি লেখার ফুরসত ও প্রয়োজন—দুটোই আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। মুহূর্তের ক্লিকেই আমরা যোজন মাইল দূরের খবর পাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু এর বিনিময়ে হারিয়ে ফেলছি সেই হলুদ খামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্নিগ্ধ আবেগটুকু। হয়তো আগামী প্রজন্ম চিঠির এই রোমান্টিকতা বা চিঠি পাওয়ার সেই রোমাঞ্চকর অনুভূতির কথা জানতেই পারবে না। তবুও স্মৃতির মণিকোঠায় সেই সোনালি দিনগুলো সযত্নে বেঁচে থাকুক। আমাদের শিকড় ও আবেগের অবিচ্ছেদ্য এই চিঠির সংস্কৃতিকে অন্তত নিজেদের মতো করে সংরক্ষণ করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ডিজিটাল যুগে ফিকে হচ্ছে হাতে লেখা চিঠির চিরচেনা আবেগ

আপডেট সময় : ০২:০০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষ এবং ডিজিটাল বার্তার ভিড়ে আমরা ক্রমশ হারিয়ে ফেলছি হাতে লেখা চিঠির চিরচেনা আবেগ। হলুদ খামের সেই নস্টালজিয়া, প্রিয়জনের হাতের লেখার উষ্ণতা, পুরোনো স্মৃতির অমূল্য দলিল কিংবা মনের অব্যক্ত কথাগুলো লিখে প্রশান্তি পাওয়ার সেই গল্প এখন অনেকটাই বিলুপ্তপ্রায়। চিঠির সেই হারানো আবেদন ও অনুভূতির কথাগুলো নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ভাবনার মাধ্যমে সংকলন করেছেন আমানুর রহমান।

চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী অন্তি বড়ুয়া জানান, পুরোনো দিনের সেই চিরায়ত হলুদ খাম আর ডাকপিয়নের সাইকেলের টুংটাং শব্দ আজও হৃদয়ে গভীর নস্টালজিয়া জাগায়। চিঠি কেবল এক টুকরো কাগজ ছিল না, বরং তা ছিল না-বলা কথা, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং প্রিয়জনের স্পর্শমাখা এক জীবন্ত আবেগ। সন্তানের চিঠির অপেক্ষায় থাকা মায়ের উদ্বিগ্ন চোখ কিংবা ভালোবাসার মানুষের বার্তার জন্য প্রিয়জনের প্রহর গোনা—এসবই ছিল প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বর্তমান প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগে চিঠি লেখার ফুরসত ও প্রয়োজন—দুটোই আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। মুহূর্তের ক্লিকেই আমরা যোজন মাইল দূরের খবর পাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু এর বিনিময়ে হারিয়ে ফেলছি সেই হলুদ খামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্নিগ্ধ আবেগটুকু। হয়তো আগামী প্রজন্ম চিঠির এই রোমান্টিকতা বা চিঠি পাওয়ার সেই রোমাঞ্চকর অনুভূতির কথা জানতেই পারবে না। তবুও স্মৃতির মণিকোঠায় সেই সোনালি দিনগুলো সযত্নে বেঁচে থাকুক। আমাদের শিকড় ও আবেগের অবিচ্ছেদ্য এই চিঠির সংস্কৃতিকে অন্তত নিজেদের মতো করে সংরক্ষণ করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh