ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আয়োজিত নৈশভোজে সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাওয়ার হ্যামলেটসে স্কুল পোশাকের অনুদান বৃদ্ধি, সুবিধা পাবে আরও বেশি পরিবার লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে চার দিন ধরে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ সরবরাহ বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো তেলের দাম বিশ্বমঞ্চে দেশের মর্যাদা ও জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৫ জন গ্রেপ্তার চলন্ত মেট্রো রেলের দরজা খুলে যাওয়ায় ২৬ মিনিট বন্ধ চলাচল ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সারা দেশে পৌঁছাবে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই বকেয়া বিলের জেরে সিরাজগঞ্জে মিলের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, পরে চালু পাবনায় নিহত শিশু কলির কাটা দুই পায়ের খোঁজে ডোবায় পুলিশের তল্লাশি

সেপ্টেম্বরে তাপপ্রবাহ ও বন্যার পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অফিস

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:০২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চলতি সেপ্টেম্বর মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে ভারী বর্ষণের প্রভাবে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রদানের জন্য গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত সভায় চলতি মাসের এই পূর্বাভাস চূড়ান্ত করা হয়। অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলেই মূলত দেশে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, মৃদু তাপপ্রবাহের সময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মাঝারি তাপপ্রবাহের সময় তা ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি এ মাসে তিন থেকে পাঁচ দিন বজ্রঝড় হতে পারে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরে এক থেকে তিনটি মৌসুমি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার মধ্যে একটি রূপ নিতে পারে নিম্নচাপে।

নদ-নদীর পরিস্থিতি নিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, প্রধান নদ-নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে। তবে আকস্মিক ভারী বৃষ্টির কারণে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু জায়গায় সাময়িক বা স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে সেপ্টেম্বর মাসে দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ২ দশমিক ৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং গড় উজ্জ্বল সূর্যকিরণকাল ৪ দশমিক ৫ থেকে ৬ দশমিক ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

সেপ্টেম্বরে তাপপ্রবাহ ও বন্যার পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অফিস

আপডেট সময় : ০৮:০২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলতি সেপ্টেম্বর মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে ভারী বর্ষণের প্রভাবে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রদানের জন্য গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত সভায় চলতি মাসের এই পূর্বাভাস চূড়ান্ত করা হয়। অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলেই মূলত দেশে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, মৃদু তাপপ্রবাহের সময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মাঝারি তাপপ্রবাহের সময় তা ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি এ মাসে তিন থেকে পাঁচ দিন বজ্রঝড় হতে পারে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরে এক থেকে তিনটি মৌসুমি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার মধ্যে একটি রূপ নিতে পারে নিম্নচাপে।

নদ-নদীর পরিস্থিতি নিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, প্রধান নদ-নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে। তবে আকস্মিক ভারী বৃষ্টির কারণে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু জায়গায় সাময়িক বা স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে সেপ্টেম্বর মাসে দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ২ দশমিক ৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং গড় উজ্জ্বল সূর্যকিরণকাল ৪ দশমিক ৫ থেকে ৬ দশমিক ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din