৫০তম বিসিএস: তৃতীয় পর্যায়ের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা
- আপডেট সময় : ০৭:১৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তৃতীয় পর্যায়ের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। পিএসসি সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে মৌখিক পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।
তৃতীয় পর্যায়ে মোট ২ হাজার ৫৩৫ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর মধ্যে সাধারণ ক্যাডারের অবশিষ্ট ৪৩৫ জন, সাধারণ ও কারিগরি বা পেশাগত উভয় ক্যাডারের ১ হাজার ৫১৫ জন এবং শুধু কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের ৫৮৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী, ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর প্রতিদিন ১৯৫ জন করে মোট ৩৯০ জন সাধারণ ক্যাডারের প্রার্থীর ভাইভা অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ সেপ্টেম্বর সাধারণ ক্যাডারের ৪৫ জন এবং সাধারণ ও কারিগরি বা পেশাগত উভয় ক্যাডারের ১৫০ জনের পরীক্ষা হবে। এরপর ১৬, ১৭, ২০, ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিদিন ১৯৫ জন করে সাধারণ ও কারিগরি বা পেশাগত উভয় ক্যাডারের প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। সর্বশেষ ২৭, ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর প্রতিদিন ১৯৫ জন করে শুধু কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের প্রার্থীদের ভাইভা অনুষ্ঠিত হবে।
পিএসসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা নিশ্চিত হয় না। প্রার্থীদের পিএসসির ওয়েবসাইট থেকে ‘বিপিএসসি ফরম-১ (আবেদনকারীর কপি)’ সংগ্রহ করতে হবে এবং এর দুই সেট সত্যায়িত কপিসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র পরীক্ষার অন্তত ৩০ মিনিট আগে বোর্ডে জমা দিতে হবে। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষার আগে অনলাইনে ‘বিপিএসসি ফরম-৩’ পূরণ করে এর দুই কপি প্রিন্ট এবং সব সনদের স্ক্যান কপি নির্ধারিত গুগল ফরমে আপলোড করতে হবে।
প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হিসেবে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত তিন কপি ছবি, সব শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল বা সাময়িক সনদের সত্যায়িত কপি, এসএসসি বা সমমানের সনদের সত্যায়িত কপি এবং চাকরিরতদের ক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র জমা দিতে হবে। চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রির সনদে মেয়াদ উল্লেখ না থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধান বা রেজিস্ট্রারের প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক। এছাড়া চিকিৎসকদের বিএমডিসি এবং পশুচিকিৎসকদের ভেটেরিনারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন সনদ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থীদের জেলা প্রশাসকের সনদ, প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের সুবর্ণ নাগরিক কার্ড বা সমাজসেবা অফিসের সনদ এবং তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের সিভিল সার্জনের সনদ জমা দিতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সনদ এবং প্রাক-চাকরি বৃত্তান্ত যাচাই বা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরমও পূরণ করে জমা দিতে হবে।
কমিশন জানিয়েছে, সাক্ষাৎকারপত্র কোনো প্রার্থীর ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠানো হবে না। প্রার্থীদের নিজ দায়িত্বে ওয়েবসাইট থেকে এটি ডাউনলোড করে নির্ধারিত স্থানে রোল ও তারিখ লিখে বোর্ডে নিয়ে যেতে হবে। নির্ধারিত দিনে অনুপস্থিত থাকলে পরবর্তীতে আর পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে না।
অবতীর্ণ হিসেবে আবেদন করা প্রার্থীদের ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে সব লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার প্রমাণপত্র ও পাস করার প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।



























