সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি কৃষিমন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

কাঁচামরিচ, আদা ও রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে দেশকে উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে যাতে পেঁয়াজ ও পাটের বীজ বিদেশ থেকে আমদানি করতে না হয়, সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে। কৃষিখাতে সরকারের মূল লক্ষ্য হলো দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো এবং ভবিষ্যতে কৃষিপণ্য রপ্তানি করা। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।
একই সঙ্গে দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে। বাজারে সার নেই বলে প্রচার করে যারা অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে তা সরবরাহ করছেন, সেই সব খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বেশি দাম না দিলে সার মিলছে না—এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলার পেঁয়াজ ও পাটচাষিদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সারের মজুদ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী জানান, দেশের মোট চাহিদার চেয়েও প্রায় ১৫ লাখ টন বেশি সার আমদানি করা হয়, যা নিরাপত্তা মজুদ হিসেবে জমা থাকে। ফলে দেশে কোনোভাবেই সারের ঘাটতি হওয়ার সুযোগ নেই। কেবল কিছু দুষ্কৃতকারী ও ষড়যন্ত্রকারী পরিকল্পিতভাবে এই কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিজ শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, বিএনপি সরকার সবসময়ই কৃষিবান্ধব। এই দল যখনই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে, তখনই দেশের কৃষকদের ভাগ্য ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছে।
ফরিদপুরের এই সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল এবং ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আফজাল হোসেন খান পলাশসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


























