ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সালমানের প্র্যাঙ্কে শুটিং সেটে কেঁদে ফেলেছিলেন কারিশমা কাপুর সাজেকের পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার নির্দেশ, বাধা নেই ভ্রমণে সারাদেশে পূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য ইয়েমেনের আল-মাশিক প্রাসাদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: নিহত ২ পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জবিতে গরু নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিছিল মেসি পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার পরবর্তী দুই প্রতিপক্ষ কারা সাতক্ষীরায় ফেসবুক লাইভ করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা গাজীপুরে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মাদক কারবারিদের হামলা, আহত ২

১৪০ বছর পর শরীফুলের অনন্য রেকর্ড, ম্যাকাই টেস্টের পরিসংখ্যান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ম্যাকাই টেস্টটি ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সংক্ষিপ্ত ম্যাচ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। মাত্র ৭৫০ বলে নির্ধারিত এই টেস্টের ফলাফলে দুই দল মিলে মোট রান করেছে ৩৬৯, যা টেস্ট ইতিহাসের ষষ্ঠ সর্বনিম্ন এবং অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টেস্টের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এর আগে ১৯৩২ সালে মেলবোর্নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মোট ২৩৪ রানের ম্যাচটি ছিল এই তালিকায় সর্বনিম্ন। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলা সর্বশেষ সাতটি টেস্টের মধ্যে তিনটিই মাত্র দুই দিনে শেষ হয়েছে।

ম্যাচটিতে বাংলাদেশের জন্য অন্যতম প্রাপ্তি বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলামের পারফরম্যান্স। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে তিনি ৪৮ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট শিকার করেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে এটি তৃতীয় সেরা বোলিং ফিগার এবং বাংলাদেশের কোনো পেসারের জন্য প্রথম সাত উইকেট শিকারের কীর্তি। মজার ব্যাপার হলো, ১৮৮৬ সালে ডিক বার্লোর পর শরীফুলই প্রথম বাঁহাতি পেসার যিনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ইনিংসে সাত উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়লেন।

ম্যাকাই টেস্টে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কবলে পড়ে বাংলাদেশ দল ৬৪ ও ৯৫ রানে অলআউট হয়। টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথমবার বাংলাদেশ কোনো টেস্টের উভয় ইনিংসে ১০০ রানের নিচে অলআউট হলো। এর আগে এক টেস্টে দুই ইনিংস মিলে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন মোট রান ছিল ১৮৭ (বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নর্থ সাউন্ড, ২০১৮)। এছাড়া ২০০৫ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের পর প্রথম দল হিসেবে কোনো টেস্টের দুই ইনিংসেই ১০০ রানের নিচে অলআউট হলো বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলীয় বোলার মিচেল স্টার্ক এই ম্যাচে তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ দশ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব দেখান, যার জন্য তার লেগেছিল মাত্র ১০৯ বল। পুরুষদের টেস্ট ক্রিকেটে এর চেয়ে কম বলে দশ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড রয়েছে মাত্র চারজন বোলারের। ১৯১২ সালে ওভালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফ্রাঙ্ক ওলির ১০৪ বলের পর স্টার্কই সবচেয়ে দ্রুত এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন। এছাড়া এটি স্টার্কের ক্যারিয়ারের দ্রুততম দশ উইকেট শিকার (গত বছর পার্থে অ্যাশেজ টেস্টে তার লেগেছিল ১২৩ বল)। স্টার্কের ১০ উইকেটের মধ্যে ৮টিই ছিল বাঁহাতি ব্যাটারদের, যা নাথান লায়ন (২০১৭), ট্রেন্ট বোল্ট (২০১৫), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (২০১৫) এবং মেহেদী হাসান মিরাজের (২০১৬) পর সমান কৃতিত্বের দাবিদার। স্টার্কের বলে বাংলাদেশের ৬ জন ব্যাটার শূন্য রানে আউট হয়েছেন, যা টেস্টে এক ম্যাচে কোনো বোলারের ক্ষেত্রে জিম লেকারের (১৯৫৬ সালে ৮ জন) রেকর্ডের পর অন্যতম সেরা।

ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ২১০ রান ইনিংস ব্যবধানে জেতা দলগুলোর মধ্যে চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। এর আগের সর্বনিম্ন তিনটির মধ্যে দুটি জিতেছিল অস্ট্রেলিয়াই, তবে সেগুলো ১৯৫০ সালের আগের ঘটনা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

১৪০ বছর পর শরীফুলের অনন্য রেকর্ড, ম্যাকাই টেস্টের পরিসংখ্যান

আপডেট সময় : ০৫:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ম্যাকাই টেস্টটি ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সংক্ষিপ্ত ম্যাচ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। মাত্র ৭৫০ বলে নির্ধারিত এই টেস্টের ফলাফলে দুই দল মিলে মোট রান করেছে ৩৬৯, যা টেস্ট ইতিহাসের ষষ্ঠ সর্বনিম্ন এবং অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টেস্টের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এর আগে ১৯৩২ সালে মেলবোর্নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মোট ২৩৪ রানের ম্যাচটি ছিল এই তালিকায় সর্বনিম্ন। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলা সর্বশেষ সাতটি টেস্টের মধ্যে তিনটিই মাত্র দুই দিনে শেষ হয়েছে।

ম্যাচটিতে বাংলাদেশের জন্য অন্যতম প্রাপ্তি বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলামের পারফরম্যান্স। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে তিনি ৪৮ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট শিকার করেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে এটি তৃতীয় সেরা বোলিং ফিগার এবং বাংলাদেশের কোনো পেসারের জন্য প্রথম সাত উইকেট শিকারের কীর্তি। মজার ব্যাপার হলো, ১৮৮৬ সালে ডিক বার্লোর পর শরীফুলই প্রথম বাঁহাতি পেসার যিনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ইনিংসে সাত উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়লেন।

ম্যাকাই টেস্টে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কবলে পড়ে বাংলাদেশ দল ৬৪ ও ৯৫ রানে অলআউট হয়। টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথমবার বাংলাদেশ কোনো টেস্টের উভয় ইনিংসে ১০০ রানের নিচে অলআউট হলো। এর আগে এক টেস্টে দুই ইনিংস মিলে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন মোট রান ছিল ১৮৭ (বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নর্থ সাউন্ড, ২০১৮)। এছাড়া ২০০৫ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের পর প্রথম দল হিসেবে কোনো টেস্টের দুই ইনিংসেই ১০০ রানের নিচে অলআউট হলো বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলীয় বোলার মিচেল স্টার্ক এই ম্যাচে তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ দশ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব দেখান, যার জন্য তার লেগেছিল মাত্র ১০৯ বল। পুরুষদের টেস্ট ক্রিকেটে এর চেয়ে কম বলে দশ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড রয়েছে মাত্র চারজন বোলারের। ১৯১২ সালে ওভালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফ্রাঙ্ক ওলির ১০৪ বলের পর স্টার্কই সবচেয়ে দ্রুত এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন। এছাড়া এটি স্টার্কের ক্যারিয়ারের দ্রুততম দশ উইকেট শিকার (গত বছর পার্থে অ্যাশেজ টেস্টে তার লেগেছিল ১২৩ বল)। স্টার্কের ১০ উইকেটের মধ্যে ৮টিই ছিল বাঁহাতি ব্যাটারদের, যা নাথান লায়ন (২০১৭), ট্রেন্ট বোল্ট (২০১৫), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (২০১৫) এবং মেহেদী হাসান মিরাজের (২০১৬) পর সমান কৃতিত্বের দাবিদার। স্টার্কের বলে বাংলাদেশের ৬ জন ব্যাটার শূন্য রানে আউট হয়েছেন, যা টেস্টে এক ম্যাচে কোনো বোলারের ক্ষেত্রে জিম লেকারের (১৯৫৬ সালে ৮ জন) রেকর্ডের পর অন্যতম সেরা।

ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ২১০ রান ইনিংস ব্যবধানে জেতা দলগুলোর মধ্যে চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। এর আগের সর্বনিম্ন তিনটির মধ্যে দুটি জিতেছিল অস্ট্রেলিয়াই, তবে সেগুলো ১৯৫০ সালের আগের ঘটনা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin