ইরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের পথে যুক্তরাষ্ট্র
- আপডেট সময় : ০৯:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

ইরানের ওপর দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশক ধরে চলা নিষেধাজ্ঞার পরিধি আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চলমান বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর ওপর চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে নতুন কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি জানিয়েছেন, তেহরানের ওপর এমন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রয়োগ করা হবে যা আগে কখনো দেখা যায়নি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর তেহরানে মার্কিন দূতাবাস দখলের ঘটনার সূত্র ধরে ইরানের ওপর প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ শুরু হয়। কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিস (সিআরএস)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যেকোনো দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপগুলোই সবচেয়ে বিস্তৃত ও সর্বাত্মক। এসব নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের শাসকগোষ্ঠীর ‘বিরোধিতামূলক আচরণ’ প্রতিহত করা, সীমিত করা এবং তা পরিবর্তনে উৎসাহিত করা।
বর্তমান নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের সঙ্গে প্রায় সব ধরনের মার্কিন বাণিজ্য নিষিদ্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ইরানি সরকারের সম্পদ অবরুদ্ধ করা হয়েছে এবং দেশটিতে বিদেশি সহায়তা ও অস্ত্র বিক্রির ওপরও কড়া নিষেধাজ্ঞা বলবৎ আছে। তবে মানবিক দিক বিবেচনায় কিছু ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। ২০১৩ সালে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) জানায় যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বিক্রির সুযোগ রাখবে। এছাড়া সিআরএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানি নাগরিকদের ইন্টারনেট বিধিনিষেধ পাশ কাটানোর সুবিধার্থে টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম সরবরাহের অনুমতিও রয়েছে।
প্রায় ৫০ বছর ধরে চলা এসব কঠোর নিয়মের পরও ওয়াশিংটন নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর হুমকি দিয়েছে। চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই নতুন পদক্ষেপগুলো কতটা কঠোর হবে, তা নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে।




























