ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লুপাস নেফ্রাইটিসে প্রাণ হারাল সখীপুরের ১০ বছরের শিশু সাদিয়া রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: দ্রুত চার্জশিট ও সুবিচারের আশ্বাস আরপিএমপির কেরানীগঞ্জে সাত দিন ধরে গ্যাস নেই, অচল কলকারখানা সেন্ট গ্রেগরী কলেজে একাদশে ভর্তি পরীক্ষা ১৩ সেপ্টেম্বর, আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর সিংগাইরে মদ্যপ অবস্থায় মারামারি, চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু দেশজুড়ে আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে খুন, ৭ মাসে ২০৭৬ হত্যাকাণ্ড ২৯ আগস্ট থেকে চুয়াডাঙ্গায় আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা আষাঢ়িয়ারচর ব্রিজে ফাটল: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট রূপপুর প্রকল্পে লিফট থেকে পড়ে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, গ্রেপ্তার ৫

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ বেনাপোলে হস্তান্তর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এর আগে আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে মরদেহগুলো দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরে আসা পাঁচজন হলেন কুষ্টিয়ার মোহিনী মিল এলাকার বাসিন্দা ও দৈনিক আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান শর্ণাশীষ দত্ত, শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার ব্যবসায়ী আহমেদ বাবু। তারা চিকিৎসার জন্য ভারতে অবস্থান করছিলেন। নিহত আহমেদ বাবুর বড় ভাই মোহাম্মাদ আলী জানান, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ঘটনার দুই দিন আগে তার ভাই কলকাতায় গিয়েছিলেন। গতকাল শুক্রবার বিকালেই তিনি মরদেহ গ্রহণের জন্য বেনাপোলে উপস্থিত হয়েছিলেন।

নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেবাশীষ দত্ত ও তার সন্তান শর্ণাশীষ দত্তের মরদেহ হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সৎকার করা হবে। অন্যদিকে আফসানা শারমীন ও আকরাম আলীর মরদেহ ইসলামি রীতিতে দাফন করা হবে। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন জানান, সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট বুধবার রাত দুইটার দিকে কলকাতার ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট নয়জনের মৃত্যু হয়, যাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি ও দুইজন ভারতীয় নাগরিক। এছাড়া সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে এসে পৌঁছেছে। তবে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতেই সৎকার করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ বেনাপোলে হস্তান্তর

আপডেট সময় : ০৮:১১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এর আগে আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে মরদেহগুলো দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরে আসা পাঁচজন হলেন কুষ্টিয়ার মোহিনী মিল এলাকার বাসিন্দা ও দৈনিক আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান শর্ণাশীষ দত্ত, শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার ব্যবসায়ী আহমেদ বাবু। তারা চিকিৎসার জন্য ভারতে অবস্থান করছিলেন। নিহত আহমেদ বাবুর বড় ভাই মোহাম্মাদ আলী জানান, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ঘটনার দুই দিন আগে তার ভাই কলকাতায় গিয়েছিলেন। গতকাল শুক্রবার বিকালেই তিনি মরদেহ গ্রহণের জন্য বেনাপোলে উপস্থিত হয়েছিলেন।

নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেবাশীষ দত্ত ও তার সন্তান শর্ণাশীষ দত্তের মরদেহ হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সৎকার করা হবে। অন্যদিকে আফসানা শারমীন ও আকরাম আলীর মরদেহ ইসলামি রীতিতে দাফন করা হবে। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন জানান, সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট বুধবার রাত দুইটার দিকে কলকাতার ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট নয়জনের মৃত্যু হয়, যাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি ও দুইজন ভারতীয় নাগরিক। এছাড়া সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে এসে পৌঁছেছে। তবে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতেই সৎকার করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin