কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফেরানোর উদ্যোগ
- আপডেট সময় : ১২:১৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন। হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই মরদেহগুলো ভারত-বাংলাদেশের দুটি সীমান্ত দিয়ে দেশে পাঠানো হবে। তবে নিহত আরেক বাংলাদেশি নাগরিক রেবতী সরকারের মরদেহ তার পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে কলকাতাতেই সৎকার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হবে। তারা হলেন কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত, আফসানা শারমীন, শর্ণশীষ দত্ত, মো. আকরাম আলী এবং সাভারের আহামেদ বাবু। এছাড়া সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খালেদ জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকালের মধ্যেই মরদেহগুলো দেশে পাঠানোর বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে। তবে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে বিলম্ব হলে মরদেহ দেশে পাঠাতে শনিবার (২২ আগস্ট) পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
ডেপুটি হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ ভারতেই সৎকারের জন্য তার ছেলে আবেদন জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশি নাগরিকসহ মোট নয়জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে দুইজন ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের দমকল বিভাগ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বৈধতা খতিয়ে দেখতে মোট ২৬টি হোটেল ও চারটি রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করেছে। প্রশাসনের নির্দেশে আপাতত এসব হোটেল ও রেস্তোরাঁয় নতুন করে অতিথি রাখার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
এর আগে পশ্চিমবঙ্গের দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে নয়টি আবাসিক হোটেল এবং চারটি রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নতুন ১৭টি হোটেলকে যুক্ত করলে এখন পর্যন্ত মোট ২৬টি হোটেল এবং চারটি রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করা হয়েছে।



























