ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজ কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনের জন্মদিন ৯/১১-কে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ না বলার নির্দেশ নিয়ে সিবিসির সমালোচনা ৭০ লাখ টাকায় নির্মিত অতিথিশালা, ১৪ বছরেও পর্যটকশূন্য হালান্ড ও চেরকির জোড়া গোল, ক্রিস্টাল প্যালেসকে ৪-১ ব্যবধানে ওড়াল ম্যানসিটি অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে মেটার নতুন নিয়ম জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান মৌলভীবাজারের সবুজে সোনালি চন্দ্রপ্রভার হলুদ উৎসব সরকারি কলেজে শিক্ষক সংকট ও শিক্ষার মানোন্নয়নের চ্যালেঞ্জ উদ্বোধনের পরই অচল অন্তর্বর্তী সরকারের নাগরিক সেবাকেন্দ্র, ৪টিতেই তালা স্বাস্থ্য খাতের আমূল সংস্কারে স্বাস্থ্য কমিশন গঠনের প্রস্তাব

চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য হাতিয়ে ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার ২

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যশোরে এক চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য হাতিয়ে ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার দিনাজপুর কোতোয়ালি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন শাহীনুর রহমান শাহিন (৫০) এবং সঞ্জয় গুপ্তা (৩১)। সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, শাহীনুর একটি মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার এবং সঞ্জয় একই প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড প্রমোটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে সিআইডি জানায়, ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর যশোর শহরের একটি শোরুমে কেনাকাটা করার সময় ওই চিকিৎসক তার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন। লেনদেনে কারিগরি জটিলতার কারণে তখন দীর্ঘ সময় লেগেছিল। এর কয়েকদিন পর ৩১ ডিসেম্বর এক ব্যক্তি ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয়ে ওই চিকিৎসককে ফোন করেন এবং কার্ড সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কথা বলে কৌশলে তার কার্ডের গোপন তথ্য সংগ্রহ করেন। সেই রাতেই সাতটি লেনদেনের মাধ্যমে চিকিৎসকের অ্যাকাউন্ট থেকে ছয়টি এমএফএস নম্বরে মোট ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মার্চ ভুক্তভোগী চিকিৎসক কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে সিআইডি জানতে পারে, শাহীনুর মোবাইল অপারেটরের সুপারভাইজার থাকাকালে ব্র্যান্ড প্রমোটারদের সহায়তায় গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট একাধিকবার সংগ্রহ করে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন করতেন। এসব সিম ব্যবহার করে ভুয়া বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলা হতো এবং পরে সেগুলো ক্রেডিট কার্ডসহ বিভিন্ন আর্থিক জালিয়াতির কাজে ব্যবহার করা হতো। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার দুজন ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং চক্রটির অন্য সদস্যদের সন্ধানে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে সিআইডি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য হাতিয়ে ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার ২

আপডেট সময় : ০৪:০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

যশোরে এক চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য হাতিয়ে ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার দিনাজপুর কোতোয়ালি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন শাহীনুর রহমান শাহিন (৫০) এবং সঞ্জয় গুপ্তা (৩১)। সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, শাহীনুর একটি মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার এবং সঞ্জয় একই প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড প্রমোটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে সিআইডি জানায়, ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর যশোর শহরের একটি শোরুমে কেনাকাটা করার সময় ওই চিকিৎসক তার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন। লেনদেনে কারিগরি জটিলতার কারণে তখন দীর্ঘ সময় লেগেছিল। এর কয়েকদিন পর ৩১ ডিসেম্বর এক ব্যক্তি ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয়ে ওই চিকিৎসককে ফোন করেন এবং কার্ড সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কথা বলে কৌশলে তার কার্ডের গোপন তথ্য সংগ্রহ করেন। সেই রাতেই সাতটি লেনদেনের মাধ্যমে চিকিৎসকের অ্যাকাউন্ট থেকে ছয়টি এমএফএস নম্বরে মোট ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মার্চ ভুক্তভোগী চিকিৎসক কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে সিআইডি জানতে পারে, শাহীনুর মোবাইল অপারেটরের সুপারভাইজার থাকাকালে ব্র্যান্ড প্রমোটারদের সহায়তায় গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট একাধিকবার সংগ্রহ করে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন করতেন। এসব সিম ব্যবহার করে ভুয়া বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলা হতো এবং পরে সেগুলো ক্রেডিট কার্ডসহ বিভিন্ন আর্থিক জালিয়াতির কাজে ব্যবহার করা হতো। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার দুজন ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং চক্রটির অন্য সদস্যদের সন্ধানে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে সিআইডি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor