ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মামলা করে দেন, নিজেই জেলে যাবো: নাহিদকে চ্যালেঞ্জ ইশরাকের এআই প্রযুক্তিতে স্বয়ংক্রিয় ওয়েবসাইট হ্যাকিং, বিশ্বজুড়ে নতুন নিরাপত্তাসংকট মিলানে সহিংস বিক্ষোভ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৫০০ সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ঝিনাইদহে ঘুমন্ত জামাইকে কুপিয়ে হত্যা, শ্বশুর আটক আজ বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস, দেশেও পালিত হচ্ছে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস নাটোরে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪ পূজার ছুটিতে রাজধানী ছাড়ছেন মানুষ, বাড়তি ভাড়ায় ক্ষোভ বিক্ষোভে রণক্ষেত্র ফ্রান্স, আড়াই হাজারের বেশি গ্রেপ্তার চালকের ঘুম কেড়ে নিল ১৪ প্রাণ, নাটোরের মহাসড়কে শোকের মাতম আবাসন খাতে সফল ক্যারিয়ার গড়তে দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের গুরুত্ব

৩০ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে তাদের প্রতিযোগিতাক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে দেশের ৩০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। বুধবার আয়োজিত এক সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আরবি, চীনা, জাপানি, কোরীয়, ফরাসি, জার্মান, স্প্যানিশ ও ইতালীয়—এই আটটি ভাষাকে প্রাথমিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে শুরুর দিকে আরবি, জাপানি, কোরীয়, চীনা ও ইতালীয় ভাষা শেখানোর ওপর বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ভাষা চালু করা হবে, তা নির্ধারণ করা হবে আঞ্চলিক চাহিদা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা এবং অবকাঠামোগত সুবিধার ওপর ভিত্তি করে। এর মাধ্যমে দেশের সব বিভাগকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের।

বর্তমানে দেশের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে, যার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ ১৩টি ভাষা শেখানোর সুযোগ প্রদান করে। নতুন কেন্দ্রগুলোর জন্য ইউজিসি আধুনিক ভাষা ল্যাব স্থাপন, জনবল কাঠামো তৈরি এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়া প্রশিক্ষিত শিক্ষক তৈরির পাশাপাশি প্রয়োজনে বিদেশি ভাষা বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হবে।

বিএমইটির তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কোন অঞ্চলে কোন ভাষার চাহিদা বেশি, তা চিহ্নিত করা হবে। অধ্যাপক মামুন আহমেদ আরও নিশ্চিত করেছেন যে, এই কেন্দ্রগুলো যাতে কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয় এবং শিক্ষার্থীরা সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত শিক্ষা পেতে পারে, সেজন্য ইউজিসি কঠোর নজরদারি বজায় রাখবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

৩০ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র

আপডেট সময় : ০৩:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে তাদের প্রতিযোগিতাক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে দেশের ৩০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। বুধবার আয়োজিত এক সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আরবি, চীনা, জাপানি, কোরীয়, ফরাসি, জার্মান, স্প্যানিশ ও ইতালীয়—এই আটটি ভাষাকে প্রাথমিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে শুরুর দিকে আরবি, জাপানি, কোরীয়, চীনা ও ইতালীয় ভাষা শেখানোর ওপর বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ভাষা চালু করা হবে, তা নির্ধারণ করা হবে আঞ্চলিক চাহিদা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা এবং অবকাঠামোগত সুবিধার ওপর ভিত্তি করে। এর মাধ্যমে দেশের সব বিভাগকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের।

বর্তমানে দেশের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে, যার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ ১৩টি ভাষা শেখানোর সুযোগ প্রদান করে। নতুন কেন্দ্রগুলোর জন্য ইউজিসি আধুনিক ভাষা ল্যাব স্থাপন, জনবল কাঠামো তৈরি এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়া প্রশিক্ষিত শিক্ষক তৈরির পাশাপাশি প্রয়োজনে বিদেশি ভাষা বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হবে।

বিএমইটির তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কোন অঞ্চলে কোন ভাষার চাহিদা বেশি, তা চিহ্নিত করা হবে। অধ্যাপক মামুন আহমেদ আরও নিশ্চিত করেছেন যে, এই কেন্দ্রগুলো যাতে কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয় এবং শিক্ষার্থীরা সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত শিক্ষা পেতে পারে, সেজন্য ইউজিসি কঠোর নজরদারি বজায় রাখবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor