পারমাণবিক ও বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি অব্যাহত রাখবে ইরান: আইআরজিসি উপ-প্রধান
- আপডেট সময় : ০৯:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

শত্রুপক্ষের নানা ষড়যন্ত্র ও বাধা সত্ত্বেও পারমাণবিক প্রযুক্তি এবং বৈজ্ঞানিক উন্নয়নের পথ থেকে ইরান সরে আসবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) উপ-প্রধান মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি। ইসলামী বিপ্লবের শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্মরণে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি বলেন, ইরানকে দুর্বল, খণ্ডিত ও উৎখাত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে শত্রুরা বিভিন্ন ধরনের সংঘাত উসকে দিয়েছিল। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের তেলসম্পদ ও কৌশলগত হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা, ইরানি-ইসলামি সভ্যতাকে ধ্বংস করা, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী ও প্রতিরোধ ফ্রন্টকে দুর্বল করা এবং সর্বোপরি ইরানের পরমাণু শিল্পকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া। তবে শত্রুদের এসব ষড়যন্ত্রের কোনোটিই সফলতার মুখ দেখেনি।
ইরানের এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা আরও বলেন, সব ধরনের প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে পূর্ণ শক্তির সাথে দেশের পারমাণবিক, বৈজ্ঞানিক ও উন্নয়নমূলক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা হবে। আল্লাহর ওপর গভীর আস্থা ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের সুবাদেই ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান সব ধরনের কঠিন পরিস্থিতি সফলভাবে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে। শত্রুপক্ষ ইরানের পারমাণবিক শিল্পে অনুপ্রবেশ করতে কিংবা তা ধ্বংস করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
বক্তব্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরে আইআরজিসির এই উপ-প্রধান বলেন, বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি, শিল্প ও অর্থনৈতিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে ব্যাপক অগ্রগতি এবং অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কারণে ইরানের অসাধারণ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে প্রতিপক্ষরা এখন অত্যন্ত সতর্ক ও নিষ্ক্রিয় অবস্থানে থাকতে বাধ্য হচ্ছে।
আঞ্চলিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মোস্তফা ইজাদি বলেন, ইসলামি বিপ্লবের আদর্শকে সমুন্নত রেখে প্রতিরোধ ফ্রন্টও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির মতো কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোর ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই ফ্রন্ট পুরো অঞ্চলে তাদের প্রভাব আরও সুসংহত ও শক্তিশালী করেছে।




























