ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পারমাণবিক ও বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি অব্যাহত রাখবে ইরান: আইআরজিসি উপ-প্রধান ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য প্রাথমিকে ২০২৭ সাল থেকে যুক্ত হচ্ছে নতুন দুই পাঠ্যবই: শিক্ষামন্ত্রী অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ হয়েছে, এখন মাছ রপ্তানি বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনই জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা: সাইফুল হক রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ বলায় মিয়ানমারের বিবৃতির সঙ্গে দ্বিমত বাংলাদেশের ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প বগুড়ায় বদিউজ্জামান হত্যা মামলায় প্রতিবেশী খয়বরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড লালমোহনে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে টমটম চাপায় শিশু নিহত চা-শ্রমিকদের ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সরকারি হাসপাতালের তদারকিতে নিয়োগ পেলেন ৬৯ কর্মকর্তা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের সব সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৬৯ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক অফিস আদেশে এই নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব থেকে শুরু করে সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা রয়েছেন।

নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রধান কাজ হবে তাদের আওতাধীন জেলা বা উপজেলার হাসপাতালগুলোর জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করা। এ ক্ষেত্রে তারা হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। পরিদর্শন কার্যক্রমে সাচিবিক সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগ বা শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাদের সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন।

আদেশে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত বিরতিতে হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে এবং প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। পরিদর্শন শেষে প্রাপ্ত পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলো প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে হবে এবং বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

তদারকির পরিধির মধ্যে রয়েছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা পর্যবেক্ষণ এবং নিয়মিত প্রতিবেদন দাখিল করা। এছাড়া জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম, মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টি কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও উৎসাহ প্রদান করতেও বলা হয়েছে কর্মকর্তাদের।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি হাসপাতালের তদারকিতে নিয়োগ পেলেন ৬৯ কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৮:১০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

দেশের সব সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৬৯ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক অফিস আদেশে এই নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব থেকে শুরু করে সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা রয়েছেন।

নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রধান কাজ হবে তাদের আওতাধীন জেলা বা উপজেলার হাসপাতালগুলোর জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করা। এ ক্ষেত্রে তারা হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। পরিদর্শন কার্যক্রমে সাচিবিক সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগ বা শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাদের সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন।

আদেশে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত বিরতিতে হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে এবং প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। পরিদর্শন শেষে প্রাপ্ত পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলো প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে হবে এবং বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

তদারকির পরিধির মধ্যে রয়েছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা পর্যবেক্ষণ এবং নিয়মিত প্রতিবেদন দাখিল করা। এছাড়া জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম, মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টি কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও উৎসাহ প্রদান করতেও বলা হয়েছে কর্মকর্তাদের।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor