ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তিন জোড়া কবুতরে শুরু, এখন সংসারের হাল ধরেছেন স্বপ্না রানী চট্টগ্রামের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি রেলের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে এক মাসের দায়িত্ব চাইলেন মাহবুব কবীর পিরোজপুরে ভেজাল শিশুখাদ্য তৈরির কারখানা সিলগালা, মালিকের কারাদণ্ড নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা: ছাত্রদল নেতার স্বীকারোক্তিতে কুষ্টিয়ায় তোলপাড় আইএমএফের সঙ্গে ৪৫০ কোটি ডলারের নতুন ঋণচুক্তি হতে পারে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আর ফেরা হবে না, শঙ্কা তসলিমা নাসরিনের থাইরয়েড সচেতনতা ও আধুনিক চিকিৎসায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জীবননগর সীমান্তে ভারতে পালানোর সময় ২ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নুরুজ্জামান

সরকারি হাসপাতালের তদারকিতে নিয়োগ পেলেন ৬৯ কর্মকর্তা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:১০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের সব সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৬৯ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক অফিস আদেশে এই নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব থেকে শুরু করে সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা রয়েছেন।

নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রধান কাজ হবে তাদের আওতাধীন জেলা বা উপজেলার হাসপাতালগুলোর জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করা। এ ক্ষেত্রে তারা হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। পরিদর্শন কার্যক্রমে সাচিবিক সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগ বা শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাদের সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন।

আদেশে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত বিরতিতে হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে এবং প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। পরিদর্শন শেষে প্রাপ্ত পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলো প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে হবে এবং বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

তদারকির পরিধির মধ্যে রয়েছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা পর্যবেক্ষণ এবং নিয়মিত প্রতিবেদন দাখিল করা। এছাড়া জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম, মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টি কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও উৎসাহ প্রদান করতেও বলা হয়েছে কর্মকর্তাদের।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি হাসপাতালের তদারকিতে নিয়োগ পেলেন ৬৯ কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৮:১০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

দেশের সব সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৬৯ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক অফিস আদেশে এই নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব থেকে শুরু করে সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা রয়েছেন।

নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রধান কাজ হবে তাদের আওতাধীন জেলা বা উপজেলার হাসপাতালগুলোর জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করা। এ ক্ষেত্রে তারা হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। পরিদর্শন কার্যক্রমে সাচিবিক সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগ বা শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাদের সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন।

আদেশে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত বিরতিতে হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে এবং প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। পরিদর্শন শেষে প্রাপ্ত পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলো প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে হবে এবং বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

তদারকির পরিধির মধ্যে রয়েছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা পর্যবেক্ষণ এবং নিয়মিত প্রতিবেদন দাখিল করা। এছাড়া জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম, মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টি কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও উৎসাহ প্রদান করতেও বলা হয়েছে কর্মকর্তাদের।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor