ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি মধুখালীতে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে বৃদ্ধের ৫ বছরের কারাদণ্ড ৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি মিয়ানমারের নতুন পরিচয়ে যাত্রা শুরু করলো এয়ারটেল, নাম পরিবর্তন ‘সার্কেল’ কাঠমান্ডুতে যান্ত্রিক ত্রুটিতে আটকা, বিকল্প বিমানে ফিরলেন ১২৭ যাত্রী এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নে ১২ লাখ আবেদন, নীতিমালায় পরিবর্তনের আভাস তিন মাস কাদায় বাঁধা ছিল মহিষ, উদ্ধার করলেন ইউএনও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্সের ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঝুঁকি নিয়ে চলছে কালীগঞ্জের শতবর্ষী বিদ্যালয়ের পাঠদান

রেললাইনে পানি: ৪ ঘণ্টা ধরে আটকে চবির দুই শাটল ট্রেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অতিবৃষ্টির ফলে রেললাইনের ওপর পানি জমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দুটি শাটল ট্রেন প্রায় চার ঘণ্টা ধরে ষোলশহর রেলস্টেশনে আটকা পড়ে আছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল থেকে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ষোলশহর স্টেশনমাস্টার মো. মাঈন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বটতলা রেলস্টেশন থেকে সকাল ৭টা ১৫ মিনিট ও ৭টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে আসা ট্রেন দুটি বর্তমানে ষোলশহর স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছে। রেললাইনের ওপর এখনো প্রায় ৮ ইঞ্চি পানি রয়েছে। পানি না নামা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

দীর্ঘ সময় ট্রেন আটকে থাকায় অনেক শিক্ষার্থী স্টেশন ছেড়ে চলে গেছেন। তবে কিছু শিক্ষার্থী এখনো ট্রেনের ভেতরেই অবস্থান করছেন। শাটল ট্রেন বন্ধ থাকায় এবং বিকল্প কোনো বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান থাকায় তাদের এই ভোগান্তি আরও প্রকট হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশ্ন তুলেছেন, শিক্ষার্থীরা কীভাবে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নেবে তা নিয়ে প্রশাসনের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না। চাকসুর সহ-যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল সালমান বলেন, শাটল বন্ধ থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাস-পরীক্ষাও বন্ধ রাখা উচিত। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম এই শাটল ট্রেন। এটি বন্ধ থাকলে বিকল্প লোকাল পরিবহনে সবার পক্ষে ক্যাম্পাসে আসা সম্ভব নয়। কিছু শিক্ষার্থী কষ্ট করে ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে পারলেও অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আসতে পারছেন না। পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশকে বঞ্চিত করার অধিকার প্রশাসনের নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

রেললাইনে পানি: ৪ ঘণ্টা ধরে আটকে চবির দুই শাটল ট্রেন

আপডেট সময় : ০৫:১৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

অতিবৃষ্টির ফলে রেললাইনের ওপর পানি জমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দুটি শাটল ট্রেন প্রায় চার ঘণ্টা ধরে ষোলশহর রেলস্টেশনে আটকা পড়ে আছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল থেকে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ষোলশহর স্টেশনমাস্টার মো. মাঈন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বটতলা রেলস্টেশন থেকে সকাল ৭টা ১৫ মিনিট ও ৭টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে আসা ট্রেন দুটি বর্তমানে ষোলশহর স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছে। রেললাইনের ওপর এখনো প্রায় ৮ ইঞ্চি পানি রয়েছে। পানি না নামা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

দীর্ঘ সময় ট্রেন আটকে থাকায় অনেক শিক্ষার্থী স্টেশন ছেড়ে চলে গেছেন। তবে কিছু শিক্ষার্থী এখনো ট্রেনের ভেতরেই অবস্থান করছেন। শাটল ট্রেন বন্ধ থাকায় এবং বিকল্প কোনো বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান থাকায় তাদের এই ভোগান্তি আরও প্রকট হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশ্ন তুলেছেন, শিক্ষার্থীরা কীভাবে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নেবে তা নিয়ে প্রশাসনের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না। চাকসুর সহ-যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল সালমান বলেন, শাটল বন্ধ থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাস-পরীক্ষাও বন্ধ রাখা উচিত। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম এই শাটল ট্রেন। এটি বন্ধ থাকলে বিকল্প লোকাল পরিবহনে সবার পক্ষে ক্যাম্পাসে আসা সম্ভব নয়। কিছু শিক্ষার্থী কষ্ট করে ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে পারলেও অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আসতে পারছেন না। পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশকে বঞ্চিত করার অধিকার প্রশাসনের নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh