ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি কুমিল্লায় স্কুল ছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি সহ গ্রেফতার-৪ ফতুল্লা উত্তর দেলপাড়ায় স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামীকে নির্মম হত্যা ঘাতক স্ত্রী গ্রেফতার অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ড তদন্তের দাবি সংসদে, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামে ব্যাংকের ১৭ লক্ষ টাকা চুরির রহস্য উদ্ঘাটন নিরাপত্তা প্রহরী রংপুর থেকে গ্রেফতার কক্সবাজার ইয়াবা সহ আটক ১ ভোলায় ফুটপাতের পাগলী মা হলেও বাবা হলোনা কেউ নবীনগরে গাঁজা সহ আটক-১ দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপরে

প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত স্বামী,রাজ মিস্ত্রী কাজ করে সংসারের হাল ধরলেন স্ত্রী

আবু হাসান আপন নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৪৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩ ৩৬০ বার পড়া হয়েছে

প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত স্বামী,রাজ মিস্ত্রী কাজ করে সংসারের হাল ধরলেন স্ত্রী

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা শিবপুর ইউনিয়ন শিবপুর গ্রামের মোঃ কামাল মিয়া দীর্ঘ ৯ বছর ধরে প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত।স্বামী অসুস্থ হওয়ার পর রাজ মিস্ত্রী কাজ করে সংসারের হাল ধরলেন স্ত্রী লিপি বেগম।

স্থানীয় লোকেরা বলেন,মোঃ কামাল হোসেন সুস্থ্য সবল ছিলেন। আজ থেকে নয় বছর পূর্বে প রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারে না।এক বছর চিকিৎসা করানোর পর অর্থের অভাবে আর চিকিৎসা করাতে পারেনি তার পরিবার।কামাল হোসেন এর দুই মেয়ে।স্ত্রী লিপি বেগম রাজমিস্ত্রী কাজ করে দুই মেয়ে ও স্বামী কে নিয়ে সংসারের হাল ধরলেন।এক মেয়ে কে বিয়ে দিয়েছে আশেপাশের বৃত্তভানদের সহযোগিতায়।রাজ মিস্ত্রী কাজ করে যে টাকা উপার্জন করে তা দিয়ে সংসার চালিয়ে স্বামীর চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না।সমাজের বৃত্তভান ব্যাক্তিরা পরিবারটির পাশে দাড়াঁনোর জন্য আহবান করছি।

কামাল হোসেন এর স্ত্রী লিপি বেগম বলেন,আমার পরিবারের এক মাত্র ভরসা ছিল আমার স্বামী।প্রতিদিন যে টাকা উপার্জন করত তা দিয়ে আমাদের সংসার চলত। ৯ বছর পূর্বে হঠাৎ আমার স্বামী প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হয়।এর পর থেকে কথা বলতে পারে না,স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পারে না।এক বছর চিকিৎসা করানোর পর আর চিকিৎসা করাতে পারি নাই অর্থের অভাবে।আমার স্বামী অসুস্থ হওয়ার পর পরিবারের হাল ধরার মত কেউ ছিলনা,আমি রাজ মিস্ত্রী কাজ করে সংসার এর হাল ধরেছি।আশেপাশের লোকদের সহযোগিতায় এক টি মেয়ে বিবাহ দেয়।বর্তমানে রাজ মিস্ত্রী কাজ করে যে টাকা উপার্জন করি তা দিয়ে কোন রকমে সংসার চলে,তাই আমার স্বামীর চিকিৎসা করাতে পারছিনা।সমাজের বৃত্তভান ব্যাক্তি সহ সরকারের কাছ থেকে আমার পরিবারের জন্য সহযোগিতা কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত স্বামী,রাজ মিস্ত্রী কাজ করে সংসারের হাল ধরলেন স্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৪৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩
print news

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা শিবপুর ইউনিয়ন শিবপুর গ্রামের মোঃ কামাল মিয়া দীর্ঘ ৯ বছর ধরে প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত।স্বামী অসুস্থ হওয়ার পর রাজ মিস্ত্রী কাজ করে সংসারের হাল ধরলেন স্ত্রী লিপি বেগম।

স্থানীয় লোকেরা বলেন,মোঃ কামাল হোসেন সুস্থ্য সবল ছিলেন। আজ থেকে নয় বছর পূর্বে প রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারে না।এক বছর চিকিৎসা করানোর পর অর্থের অভাবে আর চিকিৎসা করাতে পারেনি তার পরিবার।কামাল হোসেন এর দুই মেয়ে।স্ত্রী লিপি বেগম রাজমিস্ত্রী কাজ করে দুই মেয়ে ও স্বামী কে নিয়ে সংসারের হাল ধরলেন।এক মেয়ে কে বিয়ে দিয়েছে আশেপাশের বৃত্তভানদের সহযোগিতায়।রাজ মিস্ত্রী কাজ করে যে টাকা উপার্জন করে তা দিয়ে সংসার চালিয়ে স্বামীর চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না।সমাজের বৃত্তভান ব্যাক্তিরা পরিবারটির পাশে দাড়াঁনোর জন্য আহবান করছি।

কামাল হোসেন এর স্ত্রী লিপি বেগম বলেন,আমার পরিবারের এক মাত্র ভরসা ছিল আমার স্বামী।প্রতিদিন যে টাকা উপার্জন করত তা দিয়ে আমাদের সংসার চলত। ৯ বছর পূর্বে হঠাৎ আমার স্বামী প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হয়।এর পর থেকে কথা বলতে পারে না,স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পারে না।এক বছর চিকিৎসা করানোর পর আর চিকিৎসা করাতে পারি নাই অর্থের অভাবে।আমার স্বামী অসুস্থ হওয়ার পর পরিবারের হাল ধরার মত কেউ ছিলনা,আমি রাজ মিস্ত্রী কাজ করে সংসার এর হাল ধরেছি।আশেপাশের লোকদের সহযোগিতায় এক টি মেয়ে বিবাহ দেয়।বর্তমানে রাজ মিস্ত্রী কাজ করে যে টাকা উপার্জন করি তা দিয়ে কোন রকমে সংসার চলে,তাই আমার স্বামীর চিকিৎসা করাতে পারছিনা।সমাজের বৃত্তভান ব্যাক্তি সহ সরকারের কাছ থেকে আমার পরিবারের জন্য সহযোগিতা কামনা করছি।