ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারত ছাড়ার ঘোষণা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সিজেপির দায়িত্ব অজিঙ্কা শিন্ডের কাঁধে, আটক সিপিএম নেতা ও পিনারাই বিজয়ন প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, নীলক্ষেতে বিক্ষোভ প্রকৃতি রক্ষায় আমাদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি ঢাকায় ছয় মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি বাস, ৯৮টি রুট কমে ৩২ আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রানে থামল বাংলাদেশ কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি আহত, বিজিবির পাল্টা গুলি মক্কা-মদিনার মর্যাদার প্রশ্নে আপস করবে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভবিষ্যতের ঝামেলা এড়াতে সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যা: আদালতে সৎমা ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে সরব শাবানা আজমি ও নাসিরউদ্দিন শাহ

মাগুরার শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হিটু শেখের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মাগুরার ৮ বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানির জন্য আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাই কোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক জানান, হিটু শেখের পক্ষে পূর্বে নিয়োজিত আইনজীবী মো. আব্বাস উদ্দিন অনাপত্তিপত্র (এনওসি) প্রদান করায় শুনানির দ্বিতীয় দিনেই আদালত হাফিজুর রহমান খানকে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগের এই আদেশ দেন। এর আগে গত মঙ্গলবার মামলাটির আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শুরু হয়েছিল।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৭ই মে মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর তিন আসামি—সজীব শেখ, রাতুল শেখ এবং জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়। এই রায়ের পর হিটু শেখ হাই কোর্টে আপিল করেন এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে পাঠানো হয়। মামলার নথি বিজি প্রেসে ছাপার কাজ শেষে গত জুনে পেপারবুক হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়।

ঘটনার বিবরণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ৬ই মার্চ শ্রীপুর উপজেলায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আট বছরের শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। পরে ১৩ই মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুটির মৃত্যু হয়। শিশুটির মা ওই বছরের ৮ই মার্চ হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। শিশুটির মৃত্যুর পর মামলায় হত্যার অভিযোগও যুক্ত করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে ১৩ই এপ্রিল অভিযোগপত্র দাখিল করে। আদালত ২৩শে এপ্রিল হিটু শেখসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন এবং ২৭শে এপ্রিল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষের ২৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের পর ৮ই মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় এবং দুই দিনের যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনাল ১৭ই মে রায় ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, রায়ের পর ডেথ রেফারেন্সসহ মামলার নথি হাই কোর্টে পাঠানো হয়। ডেথ রেফারেন্স শাখা পেপারবুক তৈরির জন্য মামলার নথি বিজি প্রেসে পাঠায়। ছাপার কাজ শেষে গত জুনে পেপারবুক হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়।২০২৫ সালের ১৭ই মে মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত

২৩ এপ্রিল হিটু শেখের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় এবং অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির পৃথক ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ২৭ এপ্রিল শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। রাষ্ট্রপক্ষের ২৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ৮ মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর দুই দিনের যুক্তিতর্ক শেষে ১৭ মে রায় দেন ট্রাইব্যুনাল

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

মাগুরার শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হিটু শেখের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ

আপডেট সময় : ০২:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

মাগুরার ৮ বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানির জন্য আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাই কোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক জানান, হিটু শেখের পক্ষে পূর্বে নিয়োজিত আইনজীবী মো. আব্বাস উদ্দিন অনাপত্তিপত্র (এনওসি) প্রদান করায় শুনানির দ্বিতীয় দিনেই আদালত হাফিজুর রহমান খানকে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগের এই আদেশ দেন। এর আগে গত মঙ্গলবার মামলাটির আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শুরু হয়েছিল।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৭ই মে মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর তিন আসামি—সজীব শেখ, রাতুল শেখ এবং জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়। এই রায়ের পর হিটু শেখ হাই কোর্টে আপিল করেন এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে পাঠানো হয়। মামলার নথি বিজি প্রেসে ছাপার কাজ শেষে গত জুনে পেপারবুক হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়।

ঘটনার বিবরণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ৬ই মার্চ শ্রীপুর উপজেলায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আট বছরের শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। পরে ১৩ই মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুটির মৃত্যু হয়। শিশুটির মা ওই বছরের ৮ই মার্চ হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। শিশুটির মৃত্যুর পর মামলায় হত্যার অভিযোগও যুক্ত করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে ১৩ই এপ্রিল অভিযোগপত্র দাখিল করে। আদালত ২৩শে এপ্রিল হিটু শেখসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন এবং ২৭শে এপ্রিল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষের ২৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের পর ৮ই মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় এবং দুই দিনের যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনাল ১৭ই মে রায় ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, রায়ের পর ডেথ রেফারেন্সসহ মামলার নথি হাই কোর্টে পাঠানো হয়। ডেথ রেফারেন্স শাখা পেপারবুক তৈরির জন্য মামলার নথি বিজি প্রেসে পাঠায়। ছাপার কাজ শেষে গত জুনে পেপারবুক হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়।২০২৫ সালের ১৭ই মে মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত

২৩ এপ্রিল হিটু শেখের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় এবং অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির পৃথক ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ২৭ এপ্রিল শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। রাষ্ট্রপক্ষের ২৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ৮ মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর দুই দিনের যুক্তিতর্ক শেষে ১৭ মে রায় দেন ট্রাইব্যুনাল

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin