ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

সিলেটে দম্পতি ও গৃহকর্মী হত্যা: তাহমিনার শরীরে ১৮ ছুরিকাঘাত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সিলেট নগরের রায়নগর এলাকায় দম্পতি ও তাদের গৃহকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় বাবুল মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পর তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত দম্পতির সন্তান দেশে ফেরার পর শুক্রবার মামলার এজাহার দায়েরের সম্ভাবনা রয়েছে।

গত ১২ আগস্ট সকালে রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দোতলা থেকে আব্দুস সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) ও গৃহকর্মী তাহমিনা (১৫)-এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সুরাইয়া বেগমের ডান হাতের চারটি আঙুল কাটা ছিল এবং তার শরীরেও ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। আব্দুস সাত্তারের গলা ও ঘাড়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া গৃহকর্মী তাহমিনার শরীরে ১৭ থেকে ১৮টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল মিয়া জানিয়েছেন, তিনি ওই বাসায় রং মিস্ত্রির কাজ করার সময় তাহমিনার সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন। তাহমিনার কোনো আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি প্রথমে তাকে ছুরিকাঘাত করেন। এরপর সুরাইয়া বেগম তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তিনিও ছুরিকাঘাতের শিকার হন। সবশেষে আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাকেও হত্যা করা হয় বলে বাবুল দাবি করেছেন। এরপর তিনি বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।

তদন্তের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে রায়নগরের একটি খালি জায়গা থেকে রক্তমাখা একটি ছোরা উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাবুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ছোরাটি উদ্ধার করা হয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ছোরাটি পাঠানো হবে। ছোরার ধাতব অংশে শুকনো রক্তের দাগ এবং একটি ব্যাগেও রক্তের দাগ পাওয়া গেছে। এছাড়া ঘটনাস্থলের বেসিন ও হাত ধোয়ার স্থানে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। উপপুলিশ কমিশনার আরও জানান, ঘটনাস্থলে দরজার নিচের ছোট ছিটকানি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং বাবুলের পালানোর বারান্দার রেলিংয়ে হাত ও পায়ের ছাপ এবং নিচে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেটে দম্পতি ও গৃহকর্মী হত্যা: তাহমিনার শরীরে ১৮ ছুরিকাঘাত

আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

সিলেট নগরের রায়নগর এলাকায় দম্পতি ও তাদের গৃহকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় বাবুল মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পর তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত দম্পতির সন্তান দেশে ফেরার পর শুক্রবার মামলার এজাহার দায়েরের সম্ভাবনা রয়েছে।

গত ১২ আগস্ট সকালে রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দোতলা থেকে আব্দুস সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) ও গৃহকর্মী তাহমিনা (১৫)-এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সুরাইয়া বেগমের ডান হাতের চারটি আঙুল কাটা ছিল এবং তার শরীরেও ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। আব্দুস সাত্তারের গলা ও ঘাড়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া গৃহকর্মী তাহমিনার শরীরে ১৭ থেকে ১৮টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল মিয়া জানিয়েছেন, তিনি ওই বাসায় রং মিস্ত্রির কাজ করার সময় তাহমিনার সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন। তাহমিনার কোনো আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি প্রথমে তাকে ছুরিকাঘাত করেন। এরপর সুরাইয়া বেগম তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তিনিও ছুরিকাঘাতের শিকার হন। সবশেষে আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাকেও হত্যা করা হয় বলে বাবুল দাবি করেছেন। এরপর তিনি বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।

তদন্তের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে রায়নগরের একটি খালি জায়গা থেকে রক্তমাখা একটি ছোরা উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাবুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ছোরাটি উদ্ধার করা হয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ছোরাটি পাঠানো হবে। ছোরার ধাতব অংশে শুকনো রক্তের দাগ এবং একটি ব্যাগেও রক্তের দাগ পাওয়া গেছে। এছাড়া ঘটনাস্থলের বেসিন ও হাত ধোয়ার স্থানে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। উপপুলিশ কমিশনার আরও জানান, ঘটনাস্থলে দরজার নিচের ছোট ছিটকানি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং বাবুলের পালানোর বারান্দার রেলিংয়ে হাত ও পায়ের ছাপ এবং নিচে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin