ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দিল্লিতে বিক্ষোভের জেরে ইন্টারনেট ও ট্রেন চলাচলে কড়া বিধিনিষেধ বিতর্ক পেছনে ফেলে মাঠে ফিরতে প্রস্তুত ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব ডাক দিবস উদ্‌যাপন গোমস্তাপুরে আম ব্যবসায়ীদের ওপর হামলা: জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বস্তি উচ্ছেদের দাবি প্রস্পেরো কি শেক্সপিয়ারের আত্মপ্রতিকৃতি: ‘দ্য টেম্পেস্ট’ নাটকের এক গভীর বিশ্লেষণ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তিন প্রকল্পে নতুন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ এক বাবার ৬ সন্তানই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, স্বপ্নপূরণের অনন্য দৃষ্টান্ত ডারবান টেস্টের প্রথম দিনে প্রোটিয়া পেসারদের তোপ, অস্ট্রেলিয়ার ১৮৭/৬ পাবনার আটঘরিয়ায় দুই শিক্ষকের অশ্রুসিক্ত বিদায় সংবর্ধনা নানা পাটেকরের অভিনয়জীবনের সেরা ১০ সিনেমা, যা না দেখলেই নয়

হামলার আশঙ্কায় পুলিশের নিরাপত্তা চাইল ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশে চলমান তীব্র জ্বালানি সংকট ও তাপদাহের কারণে গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং হচ্ছে। এর জেরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের গ্রিড, উপকেন্দ্র ও কার্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার পুলিশের আইজিপির কাছে পাঠানো এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, তীব্র তাপদাহ ও জ্বালানি সংকটের কারণে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে গ্রামাঞ্চলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় অতিরিক্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে। এতে সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষোভ বাড়ছে এবং বেশ কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও কার্যালয়গুলো হামলার শিকার হচ্ছে।

অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট ৫ কোটি ২০ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৪ কোটি গ্রাহককেই বিদ্যুৎ সেবা দেয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো, যা মোট গ্রাহকের প্রায় ৮০ শতাংশ। তবে এই সমিতিগুলো নিজেরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না; জাতীয় গ্রিড থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ অনুযায়ী তারা গ্রাহকদের মাঝে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।

চিঠিতে বিদ্যুৎ সংকটের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর গড় চাহিদা ছিল প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে গড়ে মাত্র ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। এই বিপুল ঘাটতির কারণে অনেক এলাকায় দৈনিক গড়ে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ বিভিন্ন স্থানে উপকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর চালাচ্ছেন। এতে দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এ অবস্থায় প্রতিটি সমিতির আওতাধীন গ্রিড, উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে আইজিপিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠির অনুলিপি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের একান্ত সচিবসহ দেশের সব জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), ইউএনও এবং থানার ওসিদের পাঠানো হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

হামলার আশঙ্কায় পুলিশের নিরাপত্তা চাইল ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

দেশে চলমান তীব্র জ্বালানি সংকট ও তাপদাহের কারণে গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং হচ্ছে। এর জেরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের গ্রিড, উপকেন্দ্র ও কার্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার পুলিশের আইজিপির কাছে পাঠানো এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, তীব্র তাপদাহ ও জ্বালানি সংকটের কারণে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে গ্রামাঞ্চলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় অতিরিক্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে। এতে সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষোভ বাড়ছে এবং বেশ কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও কার্যালয়গুলো হামলার শিকার হচ্ছে।

অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট ৫ কোটি ২০ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৪ কোটি গ্রাহককেই বিদ্যুৎ সেবা দেয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো, যা মোট গ্রাহকের প্রায় ৮০ শতাংশ। তবে এই সমিতিগুলো নিজেরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না; জাতীয় গ্রিড থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ অনুযায়ী তারা গ্রাহকদের মাঝে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।

চিঠিতে বিদ্যুৎ সংকটের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর গড় চাহিদা ছিল প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে গড়ে মাত্র ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। এই বিপুল ঘাটতির কারণে অনেক এলাকায় দৈনিক গড়ে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ বিভিন্ন স্থানে উপকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর চালাচ্ছেন। এতে দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এ অবস্থায় প্রতিটি সমিতির আওতাধীন গ্রিড, উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে আইজিপিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠির অনুলিপি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের একান্ত সচিবসহ দেশের সব জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), ইউএনও এবং থানার ওসিদের পাঠানো হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor