৬৪ জেলায় পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন
- আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার নতুন ইকো-ট্যুরিজম নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে এই নীতিমালা তৈরির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে আয়োজিত এক সেমিনারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রীতা এ তথ্য জানান। 'ইকো-ট্যুরিজম প্রসারে সরকারি-বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধি' শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।
সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হলেও দেশের পর্যটন খাতে যে উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল, তা অর্জিত হয়নি। তবে বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে একটি ট্যুরিজম হাব হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়ন কেবল সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়; এজন্য সরকারি-বেসরকারি সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে তথ্যের ঘাটতি দূর করার লক্ষ্যে নিয়মিত বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগরসহ বেশ কিছু গ্রামকে পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। একই সঙ্গে দেশের ৬৪টি জেলার সম্ভাবনাময় স্থানগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলোকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্যে রূপ দেওয়ার কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
বিমান সচিব ফাহমিদা আখতার সেমিনারে জানান, পর্যটন খাতের তথ্যের ঘাটতি দূর করতে 'ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট' (টিএসএ) তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। অতীতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বয়ের অভাবে এই খাতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওয়াসিউল ইসলাম। আলোচনায় ইকো-ট্যুরিজমের গুরুত্ব, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনার পাশাপাশি টেকসই বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়।

























