ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নেটিজেনদের মন জয় করল জিয়া হকের নতুন গান ‘জুলাই’ পৃষ্ঠপোষকতার ব্যবসা আর চলবে না: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু ঢাকা–দিল্লি সম্পর্ক: সমতার ভিত্তিতে নতুন পথচলার প্রয়োজনীয়তা টেকনাফ সীমান্তে ওপারে রাতভর গোলাগুলি, সতর্কাবস্থানে বিজিবি আগামী ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের শঙ্কা লোডশেডিংয়ে নাকাল দক্ষিণের ২১ জেলা, গরমে চরম ভোগান্তি বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে হুতিদের হামলা: দুই পাকিস্তানিসহ ৩ নাবিক নিহত এসএসসি পরীক্ষায় ধানমন্ডি থানায় রায়ের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের অসামান্য সাফল্য প্রতিদিন কতটুকু রোদ পোহানো প্রয়োজন? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

পৃষ্ঠপোষকতার ব্যবসা আর চলবে না: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি সরকারের অধীনে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতামূলক বা স্বজনপ্রীতিভিত্তিক ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামে কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক যৌথ মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, এখানে কে কার সঙ্গে পরিচিত বা সে কত প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা কোন পদের মন্ত্রী, তা বিবেচ্য নয়। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়ার সুযোগ কারো থাকবে না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং পরবর্তীতে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে নিরলস কাজ করছে।

মন্ত্রী জানান, ব্যবসার সু-বান্ধব পরিবেশ তৈরি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বৃদ্ধি এবং সহজ ব্যবসা পরিবেশ বা 'ইজ অব ডুইং বিজনেস' নিশ্চিত করতে বাজেটে ডিরেগুলেশনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রমে বিদ্যমান জটিলতা ও সময়ক্ষেপণ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এনবিআর ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত সভায় দীর্ঘদিনের রেগুলেশন জটিলতা এবং বন্দরে বাড়তি খরচের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কাস্টমসের জটিলতা ও বন্দরের অতিরিক্ত খরচের প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে, যা দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়। এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়ে সিদ্ধান্তগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। সাহসের সঙ্গে এই সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে পণ্য খালাস ও রপ্তানির সময় নাটকীয়ভাবে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এছাড়া, কাস্টমস চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অবৈধ ও আটকে থাকা কনটেইনার দ্রুত নিলাম বা নিষ্পত্তির মাধ্যমে বন্দর এলাকা জটমুক্ত করার বিষয়েও সভায় বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

একই দিন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামকে ঘিরে সংস্থাটির বিশাল উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট নিজে ফিলিপাইন থেকে চট্টগ্রামে এসে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, এডিবি চট্টগ্রামকে কেবল একটি লজিস্টিকস হাব হিসেবে নয়, বরং আগামী দিনে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। বন্দরকে কেন্দ্র করে এই আঞ্চলিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চট্টগ্রামের জন্য এক বিশাল সুখবর বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

পৃষ্ঠপোষকতার ব্যবসা আর চলবে না: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
print news

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি সরকারের অধীনে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতামূলক বা স্বজনপ্রীতিভিত্তিক ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামে কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক যৌথ মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, এখানে কে কার সঙ্গে পরিচিত বা সে কত প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা কোন পদের মন্ত্রী, তা বিবেচ্য নয়। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়ার সুযোগ কারো থাকবে না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং পরবর্তীতে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে নিরলস কাজ করছে।

মন্ত্রী জানান, ব্যবসার সু-বান্ধব পরিবেশ তৈরি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বৃদ্ধি এবং সহজ ব্যবসা পরিবেশ বা 'ইজ অব ডুইং বিজনেস' নিশ্চিত করতে বাজেটে ডিরেগুলেশনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রমে বিদ্যমান জটিলতা ও সময়ক্ষেপণ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এনবিআর ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত সভায় দীর্ঘদিনের রেগুলেশন জটিলতা এবং বন্দরে বাড়তি খরচের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কাস্টমসের জটিলতা ও বন্দরের অতিরিক্ত খরচের প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে, যা দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়। এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়ে সিদ্ধান্তগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। সাহসের সঙ্গে এই সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে পণ্য খালাস ও রপ্তানির সময় নাটকীয়ভাবে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এছাড়া, কাস্টমস চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অবৈধ ও আটকে থাকা কনটেইনার দ্রুত নিলাম বা নিষ্পত্তির মাধ্যমে বন্দর এলাকা জটমুক্ত করার বিষয়েও সভায় বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

একই দিন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামকে ঘিরে সংস্থাটির বিশাল উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট নিজে ফিলিপাইন থেকে চট্টগ্রামে এসে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, এডিবি চট্টগ্রামকে কেবল একটি লজিস্টিকস হাব হিসেবে নয়, বরং আগামী দিনে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। বন্দরকে কেন্দ্র করে এই আঞ্চলিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চট্টগ্রামের জন্য এক বিশাল সুখবর বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh