ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

একীভূত ৫ ব্যাংকের পুরনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ করল সরকার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৭:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



একীভূত পাঁচটি দুর্বল ব্যাংকের পুরনো মালিকদের মালিকানা ফিরে পাওয়ার পথ বন্ধ করে দিচ্ছে সরকার। এ সংক্রান্ত বিধান রেখে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিংসাপেক্ষে সংশোধনীটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্র অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রণীত ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের আওতায় তৎকালীন সরকার পাঁচটি দুর্বল ব্যাংক একীভূত করেছিল। একইসঙ্গে ব্যাংকগুলোকে দুর্বল করার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের আবারও মালিকানায় ফেরার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে সংসদে অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে পাস হওয়ার সময় বিএনপি সরকার নতুন একটি ধারা যুক্ত করে। ওই ১৮(ক) ধারার মাধ্যমে এসব ব্যাংকের সাবেক মালিকদের আবারও মালিকানায় ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এই বিধান বহাল রাখায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে এখন বিতর্কিত ধারাটি বাতিল করা হলো।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারার সব শর্ত মেনে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় সরকার ধারাটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

একই বৈঠকে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া এবং ‘ভিসা নীতি-২০২৬’-এরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন ভিসা নীতিমালায় ক্যাটাগরি ৩৩ থেকে বাড়িয়ে ৩৪টি করা হয়েছে, যার লক্ষ্য বিদেশি বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং দক্ষ মানবসম্পদ ও প্রযুক্তি স্থানান্তরকে উৎসাহিত করা। এছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনে কমিশন পুনর্গঠন ও তাদের কার্যক্ষমতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে কমিশনের বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক সমাজ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি রাখা এবং হেফাজতে নির্যাতন ও গুম রোধে ‘জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ ইউনিট গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

২০০৬ সালের ভিসা নীতিমালায় যেখানে ৩৩টি ক্যাটাগরি ছিল, নতুন নীতিমালায় তা বাড়িয়ে ৩৪টি করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

একীভূত ৫ ব্যাংকের পুরনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ করল সরকার

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

একীভূত পাঁচটি দুর্বল ব্যাংকের পুরনো মালিকদের মালিকানা ফিরে পাওয়ার পথ বন্ধ করে দিচ্ছে সরকার। এ সংক্রান্ত বিধান রেখে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিংসাপেক্ষে সংশোধনীটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্র অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রণীত ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের আওতায় তৎকালীন সরকার পাঁচটি দুর্বল ব্যাংক একীভূত করেছিল। একইসঙ্গে ব্যাংকগুলোকে দুর্বল করার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের আবারও মালিকানায় ফেরার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে সংসদে অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে পাস হওয়ার সময় বিএনপি সরকার নতুন একটি ধারা যুক্ত করে। ওই ১৮(ক) ধারার মাধ্যমে এসব ব্যাংকের সাবেক মালিকদের আবারও মালিকানায় ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এই বিধান বহাল রাখায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে এখন বিতর্কিত ধারাটি বাতিল করা হলো।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারার সব শর্ত মেনে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় সরকার ধারাটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

একই বৈঠকে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া এবং ‘ভিসা নীতি-২০২৬’-এরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন ভিসা নীতিমালায় ক্যাটাগরি ৩৩ থেকে বাড়িয়ে ৩৪টি করা হয়েছে, যার লক্ষ্য বিদেশি বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং দক্ষ মানবসম্পদ ও প্রযুক্তি স্থানান্তরকে উৎসাহিত করা। এছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনে কমিশন পুনর্গঠন ও তাদের কার্যক্ষমতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে কমিশনের বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক সমাজ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি রাখা এবং হেফাজতে নির্যাতন ও গুম রোধে ‘জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ ইউনিট গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

২০০৬ সালের ভিসা নীতিমালায় যেখানে ৩৩টি ক্যাটাগরি ছিল, নতুন নীতিমালায় তা বাড়িয়ে ৩৪টি করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy