ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়ান গেমসে আর্চারিতে সম্ভাবনা জাগিয়েও শূন্য হাতে বাংলাদেশ শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ৪১৩তম পর্ষদ সভায় বিনিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদন নগ্ন দৃশ্যে অভিনয়ের প্রভাব ব্যক্তিগত জীবনে পড়েছিল এমি রসমের কোহলির মাইলফলক ও গিলের সেঞ্চুরি: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে ভারতের জয় সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কটিয়াদীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল চুয়েটে ‘৫৬?’ লেখা কার্ড হাতে শিক্ষার্থীদের প্রতীকী প্রশ্নযাত্রা বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ঈশ্বরদীর স্বপ্নদ্বীপে নানা আয়োজন চট্টগ্রামে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ, সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনে ১৩ জনের মৃত্যু বেলকুচিতে পারিবারিক কলহে গুলি, গ্রেপ্তার ২ এমপির মদতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ধ্বংসের ঘটনায় টিআইবির গভীর উদ্বেগ

দাখিল পরীক্ষা: উল্লাপাড়ার ৩ মাদ্রাসায় পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার তিনটি মাদ্রাসা থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। শতভাগ ফেল করা এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসা, সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসা এবং কালিয়াকৈড় দাখিল মাদ্রাসা।

সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলো থেকে জানা গেছে, দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবার ৪ জন, সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন এবং কালিয়াকৈড় দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু তাদের কেউই কৃতকার্য হতে পারেনি। এছাড়া উপজেলার কোনাগাঁতী কে সি দাখিল মাদ্রাসার চিত্রও বেশ হতাশাজনক; সেখানে ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১ জন পাস করেছে। অন্যদিকে, হাজী আবেদ আলী মেমোরিয়াল মহিলা মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করলেও অজ্ঞাত কারণে কোনো পরীক্ষার্থীই পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

এমন বিপর্যয়কর ফলাফলের বিষয়ে দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল জলিল এবং সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার নুরুল ইসলাম জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো অত্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত। এখানকার অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় আসে না। অনেক চেষ্টা করেও তাদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। নিয়মিত পড়াশোনা না করার কারণেই ফলাফলে এই চরম বিপর্যয় ঘটেছে। তবে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য কালিয়াকৈড় মাদ্রাসার সুপারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে, হাজী আবেদ আলী মেমোরিয়াল মহিলা মাদ্রাসার সুপার সুলতান মাহমুদ জানান, তার মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করলেও কী কারণে একজনও পরীক্ষায় অংশ নেয়নি, তা তার জানা নেই।

এই বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাদের বিশ্বাস জানান, যেসব মাদ্রাসায় একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি, তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হবে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে চিঠি পাঠানো হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

দাখিল পরীক্ষা: উল্লাপাড়ার ৩ মাদ্রাসায় পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ১০:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার তিনটি মাদ্রাসা থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। শতভাগ ফেল করা এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসা, সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসা এবং কালিয়াকৈড় দাখিল মাদ্রাসা।

সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলো থেকে জানা গেছে, দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবার ৪ জন, সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন এবং কালিয়াকৈড় দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু তাদের কেউই কৃতকার্য হতে পারেনি। এছাড়া উপজেলার কোনাগাঁতী কে সি দাখিল মাদ্রাসার চিত্রও বেশ হতাশাজনক; সেখানে ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১ জন পাস করেছে। অন্যদিকে, হাজী আবেদ আলী মেমোরিয়াল মহিলা মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করলেও অজ্ঞাত কারণে কোনো পরীক্ষার্থীই পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

এমন বিপর্যয়কর ফলাফলের বিষয়ে দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল জলিল এবং সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার নুরুল ইসলাম জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো অত্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত। এখানকার অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় আসে না। অনেক চেষ্টা করেও তাদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। নিয়মিত পড়াশোনা না করার কারণেই ফলাফলে এই চরম বিপর্যয় ঘটেছে। তবে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য কালিয়াকৈড় মাদ্রাসার সুপারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে, হাজী আবেদ আলী মেমোরিয়াল মহিলা মাদ্রাসার সুপার সুলতান মাহমুদ জানান, তার মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করলেও কী কারণে একজনও পরীক্ষায় অংশ নেয়নি, তা তার জানা নেই।

এই বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাদের বিশ্বাস জানান, যেসব মাদ্রাসায় একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি, তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হবে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে চিঠি পাঠানো হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor