ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বৃক্ষমেলায় ১৬ কোটির চারা বিক্রি, পরিবেশ রক্ষাকে জাতীয় আন্দোলন বললেন পরিবেশমন্ত্রী মেহেন্দিগঞ্জে ঘেরের আড়ালে গাঁজা চাষ, মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নারী বেসবল চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে মালয়েশিয়া যাচ্ছে আনসার-ভিডিপি দল প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অসুস্থ এটিএম নুরুল বশর, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় ডিবির সাবেক প্রধান হারুনের বদলি ঠেকাতে কাদেরের কাছে আকুতি আতলেতিকোকে হারিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির জয়, জোড়া গোল মারমুশের বৃক্ষমেলায় ১৬ লাখ চারা বিক্রি, সফল আয়োজনে সন্তুষ্ট পরিবেশমন্ত্রী কানাডায় ভারতীয় তরুণী হিমাংশি হত্যায় ৭ মাস পর পার্টনার গ্রেপ্তার শিল্পকলা ও সাহিত্যের মেলবন্ধন: চিত্রকর্মে অনুপ্রাণিত নতুন উপন্যাস ২৫টি বিয়ে করে প্রতারণার অভিযোগ, বিজেপি বিধায়কের জামাতা ও বেয়াই গ্রেপ্তার

টেকনাফে মুক্তিপণ দিয়ে তিনদিন পর বাড়ি ফিরলেন অপহৃত দর্জি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

কক্সবাজারের টেকনাফে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোস্তাক আহমদ (৩১) নামে এক দর্জি। তিনি হ্নীলা ইউনিয়নের পূর্ব পানখালী ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার মৃত আব্দুস শুক্কুরের ছেলে এবং হ্নীলা বাজারে তার একটি দর্জির দোকান রয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গত ৫ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে হ্নীলা কাঁচাবাজার থেকে মোস্তাক নিখোঁজ হন। একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে পরিবারের কাছে আসা একটি ফোন কলে তাকে অপহরণের বিষয়টি জানানো হয়। অপহরণকারীরা শুরুতে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে ৫ লাখ টাকায় সমঝোতা হয়।

মোস্তাকের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম জানান, অপহরণকারীদের নির্দেশ অনুযায়ী তার বোনজামাই বাহারছড়ার একটি পাহাড়ি এলাকায় গিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে ৫ লাখ টাকা রেখে আসেন। টাকা পাওয়ার পর অপহরণকারীরা অন্য একটি স্থান থেকে মোস্তাককে মুক্তি দেয়। পরিবারের কাছে থাকা অডিও রেকর্ডে শোনা যায়, মুক্তিপণ না দিলে মোস্তাককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং তাকে হত্যার জন্য অন্য কেউ ৩০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলেও দাবি করেছিল অপহরণকারীরা।

উদ্ধারের পর মোস্তাককে শারীরিকভাবে নির্যাতনের চিহ্ন দেখা গেছে এবং বর্তমানে তিনি কথা বলতে পারছেন না বলে পরিবার জানিয়েছে। অপহরণকারীরা বিষয়টি গোপন রাখতে হুমকি দেওয়ায় পরিবার ভয়ে এতদিন চুপ ছিল। মোস্তাক ফিরে এলেও তাকে কারা এবং কেন অপহরণ করেছিল, তা এখনো রহস্যময়।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মোস্তাক নিখোঁজের ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে মুক্তিপণের বিনিময়ে তার ফেরার বিষয়টি পুলিশের জানা নেই। পুলিশ নিখোঁজের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে মুক্তিপণ দিয়ে তিনদিন পর বাড়ি ফিরলেন অপহৃত দর্জি

আপডেট সময় : ০৯:১১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
print news

কক্সবাজারের টেকনাফে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোস্তাক আহমদ (৩১) নামে এক দর্জি। তিনি হ্নীলা ইউনিয়নের পূর্ব পানখালী ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার মৃত আব্দুস শুক্কুরের ছেলে এবং হ্নীলা বাজারে তার একটি দর্জির দোকান রয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গত ৫ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে হ্নীলা কাঁচাবাজার থেকে মোস্তাক নিখোঁজ হন। একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে পরিবারের কাছে আসা একটি ফোন কলে তাকে অপহরণের বিষয়টি জানানো হয়। অপহরণকারীরা শুরুতে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে ৫ লাখ টাকায় সমঝোতা হয়।

মোস্তাকের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম জানান, অপহরণকারীদের নির্দেশ অনুযায়ী তার বোনজামাই বাহারছড়ার একটি পাহাড়ি এলাকায় গিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে ৫ লাখ টাকা রেখে আসেন। টাকা পাওয়ার পর অপহরণকারীরা অন্য একটি স্থান থেকে মোস্তাককে মুক্তি দেয়। পরিবারের কাছে থাকা অডিও রেকর্ডে শোনা যায়, মুক্তিপণ না দিলে মোস্তাককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং তাকে হত্যার জন্য অন্য কেউ ৩০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলেও দাবি করেছিল অপহরণকারীরা।

উদ্ধারের পর মোস্তাককে শারীরিকভাবে নির্যাতনের চিহ্ন দেখা গেছে এবং বর্তমানে তিনি কথা বলতে পারছেন না বলে পরিবার জানিয়েছে। অপহরণকারীরা বিষয়টি গোপন রাখতে হুমকি দেওয়ায় পরিবার ভয়ে এতদিন চুপ ছিল। মোস্তাক ফিরে এলেও তাকে কারা এবং কেন অপহরণ করেছিল, তা এখনো রহস্যময়।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মোস্তাক নিখোঁজের ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে মুক্তিপণের বিনিময়ে তার ফেরার বিষয়টি পুলিশের জানা নেই। পুলিশ নিখোঁজের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin