ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচন সুষ্ঠু করতে বদ্ধ পরিকর ইসি হরমুজে মার্কিন ড্রোন আটকের দাবি ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি অস্বীকার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না: উপ-উপাচার্য লাতিন আমেরিকার বাজারে রপ্তানি বাড়াতে নতুন উদ্যোগ বাংলাদেশের জুলাই-আগস্টে ৮৬২৬ কোটি টাকার বিদেশি ঋণ পরিশোধ করল বাংলাদেশ বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই: অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক সংবিধান সংশোধনের নামে নতুন গণভোট জাতির সাথে তামাশা: রাশেদ প্রধান কিছু করে দেখান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ইউটিউবার সালমান মুক্তাদির আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘ছোটদের সময় প্রকাশনী’র ৮ নতুন বইয়ের প্রকাশ কৃষকরাই দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষ, তাদের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ: রাষ্ট্রপতি

৪২ খেলাপি প্রতিষ্ঠানের বিদেশি সম্পদ খুঁজছে ৮ আইনি সংস্থা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে এমন ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিদেশে থাকা সম্পদ খুঁজে বের করতে মাঠে নেমেছে আটটি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠান। শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০টি বড় শিল্পগোষ্ঠীর পর এবার এই বিপুল পরিমাণ ঋণখেলাপিদের লক্ষ্য করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত এসব সম্পদ চিহ্নিত করার পাশাপাশি আইনি উপায়ে তা জব্দ করে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এ কাজে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রান্ট থর্নটন, আরআই কনসোর্টিয়াম, বেকার ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড পিডব্লিউসি, ডিএলএ পাইপার অ্যান্ড ক্রল, ইওয়াই অ্যান্ড ডেন্টনস, রহমান রাভেল্লি অ্যান্ড ইন্টারপাথ, বিসিজি অ্যান্ড এইচএইচআর এবং অ্যানিমাস অ্যাসোসিয়েটস।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই কাজের জন্য বিদেশি আইনি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রিম কোনো ফি বা খরচ দিতে হবে না। তারা ‘নো উইন, নো পে’ বা ‘কাজ হলে টাকা’ ভিত্তিতে কাজ করবে। অর্থাৎ, বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ সফলভাবে শনাক্ত ও উদ্ধার করতে পারলেই কেবল উদ্ধারকৃত অর্থের একটি নির্দিষ্ট অংশ তারা পারিশ্রমিক হিসেবে পাবে।

প্রাথমিকভাবে যেসব দেশে পাচার করা অর্থ বা সম্পদ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব দেশের তালিকায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, সিঙ্গাপুর, বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড, হংকং, চীন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই আইনি প্রতিষ্ঠানগুলো অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে বিদেশে থাকা সম্পদের প্রকৃতি, অবস্থান ও পরিমাণ শনাক্ত করার কাজ করছে। এরপর সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো সম্পদ জব্দ বা অ্যাটাচ করা সম্ভব হলে, পরবর্তীতে তা বিক্রি বা নিষ্পত্তির মাধ্যমে পাওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এই অর্থ দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বা পাওনা পরিশোধ করা হবে।

এর আগে প্রথম ধাপে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০টি শিল্প গ্রুপের পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই কার্যক্রমে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট ইউনিট এবং আয়কর বিভাগের সংশ্লিষ্ট ইউনিট যৌথভাবে কাজ করছে। একই সাথে খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোও এখন এসব বিদেশি আইনি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিচ্ছে।

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ২৬আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ৪২

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

৪২ খেলাপি প্রতিষ্ঠানের বিদেশি সম্পদ খুঁজছে ৮ আইনি সংস্থা

আপডেট সময় : ০৩:৫০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে এমন ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিদেশে থাকা সম্পদ খুঁজে বের করতে মাঠে নেমেছে আটটি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠান। শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০টি বড় শিল্পগোষ্ঠীর পর এবার এই বিপুল পরিমাণ ঋণখেলাপিদের লক্ষ্য করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত এসব সম্পদ চিহ্নিত করার পাশাপাশি আইনি উপায়ে তা জব্দ করে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এ কাজে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রান্ট থর্নটন, আরআই কনসোর্টিয়াম, বেকার ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড পিডব্লিউসি, ডিএলএ পাইপার অ্যান্ড ক্রল, ইওয়াই অ্যান্ড ডেন্টনস, রহমান রাভেল্লি অ্যান্ড ইন্টারপাথ, বিসিজি অ্যান্ড এইচএইচআর এবং অ্যানিমাস অ্যাসোসিয়েটস।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই কাজের জন্য বিদেশি আইনি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রিম কোনো ফি বা খরচ দিতে হবে না। তারা ‘নো উইন, নো পে’ বা ‘কাজ হলে টাকা’ ভিত্তিতে কাজ করবে। অর্থাৎ, বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ সফলভাবে শনাক্ত ও উদ্ধার করতে পারলেই কেবল উদ্ধারকৃত অর্থের একটি নির্দিষ্ট অংশ তারা পারিশ্রমিক হিসেবে পাবে।

প্রাথমিকভাবে যেসব দেশে পাচার করা অর্থ বা সম্পদ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব দেশের তালিকায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, সিঙ্গাপুর, বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড, হংকং, চীন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই আইনি প্রতিষ্ঠানগুলো অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে বিদেশে থাকা সম্পদের প্রকৃতি, অবস্থান ও পরিমাণ শনাক্ত করার কাজ করছে। এরপর সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো সম্পদ জব্দ বা অ্যাটাচ করা সম্ভব হলে, পরবর্তীতে তা বিক্রি বা নিষ্পত্তির মাধ্যমে পাওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এই অর্থ দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বা পাওনা পরিশোধ করা হবে।

এর আগে প্রথম ধাপে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০টি শিল্প গ্রুপের পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই কার্যক্রমে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট ইউনিট এবং আয়কর বিভাগের সংশ্লিষ্ট ইউনিট যৌথভাবে কাজ করছে। একই সাথে খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোও এখন এসব বিদেশি আইনি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিচ্ছে।

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ২৬আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ৪২

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh