ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সিরাজুল ইসলাম আপসহীন ছিলেন: মির্জা ফখরুল বুদ্ধিজীবী ও স্বৈরাচারের সখ্য: ক্ষমতার মোহে সততার বিসর্জন জামায়াতের প্রদর্শনীতে মুজিব আছে কিন্তু জিয়া নেই, ব্যাখ্যায় বিতর্ক সাভারে বিএনপি নেতাকে কাফনের কাপড় ও গুলি পাঠিয়ে হত্যার হুমকি গাজীপুরে ১১ লাখ টাকার বিদেশি মদসহ আটক ২ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মানবিকতার সঙ্গে সেবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল পেমেন্টে জালনোটের ঝুঁকি কমবে, সাশ্রয় হবে অর্থ: গভর্নর সিএমএসএমই খাতে ঋণপ্রবাহে বড় ধস, বিপাকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সন্তানের অভিভাবকত্ব পেতে আইনি লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা শোনালেন চার মা মনোয়ারুলের মৃত্যু: পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ, পীরগাছায় থানা ঘেরাও

মনোয়ারুলের মৃত্যু: পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ, পীরগাছায় থানা ঘেরাও

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

রাজধানীর সাভার থানা ছাত্রদলের সহসভাপতি মনোয়ারুল বকসির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পুলিশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে রংপুরের পীরগাছা থানায় নিহতের লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও করেছেন তার স্বজনরা। শনিবার সকাল ৮টার দিকে নিহত ওই নেতার মরদেহ নিয়ে পীরগাছা থানা ঘেরাও করেন তারা। একপর্যায়ে থানার সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন স্বজনরা। পরে পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

নিহত ছাত্রদল নেতা মনোয়ারুল বকসি (৩০) গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ হাতিবান্ধা গ্রামের জাফর বকসির ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জুলাই রংপুরের পীরগাছার কৈকুড়ি ইউনিয়নের মোংলাকুটি গ্রামের শফিকুল ইসলাম মিন্টু তার মেয়ে মিমি আক্তার (১৫)-এর নিখোঁজ সংক্রান্ত বিষয়ে পীরগাছা থানায় জিডি করেন। সেই জিডির সূত্র ধরে পীরগাছা থানার এসআই কনক চন্দ্র সঙ্গীয় চার পুলিশ সদস্যসহ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মিমি আক্তারের লোকেশন সাভারের প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের স্টাফ কোয়ার্টারে গত ৭ আগস্ট অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান চলাকালে পুলিশ জানতে পারে ছাদ থেকে কিছু একটা নিচে পড়েছে। পরে দেখা যায় তা মনোয়ারুল বকসি। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

তবে নিহতের স্বজনদের দাবি ভিন্ন। তারা জানান, নিহত মনোয়ারুল বকসির ভাগিনা মোংলাকুটি গ্রামের শাহরিয়ার কবির সৌমিকের সাথে মিমি আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তারা বিয়ে করেছেন। স্বজনদের অভিযোগ, উদ্ধার অভিযানে পুলিশের সঙ্গে মিমির পরিবারের লোকজনও ছিল এবং তারা পুলিশের পোশাকে ছিল। তারা মনোয়ারুলকে হত্যা করে ছাদ থেকে ফেলে দিয়েছে বলে স্বজনরা দাবি করেন। এই ঘটনার দায় পুলিশ এড়াতে পারে না উল্লেখ করে তারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা বলেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আমরা আইনগতভাবে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক বলেন, এ ব্যাপারে নিহতের স্বজনদের মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মামলা তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে। পুলিশ সদস্যদের এ ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

মনোয়ারুলের মৃত্যু: পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ, পীরগাছায় থানা ঘেরাও

আপডেট সময় : ১১:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
print news

রাজধানীর সাভার থানা ছাত্রদলের সহসভাপতি মনোয়ারুল বকসির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পুলিশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে রংপুরের পীরগাছা থানায় নিহতের লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও করেছেন তার স্বজনরা। শনিবার সকাল ৮টার দিকে নিহত ওই নেতার মরদেহ নিয়ে পীরগাছা থানা ঘেরাও করেন তারা। একপর্যায়ে থানার সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন স্বজনরা। পরে পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

নিহত ছাত্রদল নেতা মনোয়ারুল বকসি (৩০) গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ হাতিবান্ধা গ্রামের জাফর বকসির ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জুলাই রংপুরের পীরগাছার কৈকুড়ি ইউনিয়নের মোংলাকুটি গ্রামের শফিকুল ইসলাম মিন্টু তার মেয়ে মিমি আক্তার (১৫)-এর নিখোঁজ সংক্রান্ত বিষয়ে পীরগাছা থানায় জিডি করেন। সেই জিডির সূত্র ধরে পীরগাছা থানার এসআই কনক চন্দ্র সঙ্গীয় চার পুলিশ সদস্যসহ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মিমি আক্তারের লোকেশন সাভারের প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের স্টাফ কোয়ার্টারে গত ৭ আগস্ট অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান চলাকালে পুলিশ জানতে পারে ছাদ থেকে কিছু একটা নিচে পড়েছে। পরে দেখা যায় তা মনোয়ারুল বকসি। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

তবে নিহতের স্বজনদের দাবি ভিন্ন। তারা জানান, নিহত মনোয়ারুল বকসির ভাগিনা মোংলাকুটি গ্রামের শাহরিয়ার কবির সৌমিকের সাথে মিমি আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তারা বিয়ে করেছেন। স্বজনদের অভিযোগ, উদ্ধার অভিযানে পুলিশের সঙ্গে মিমির পরিবারের লোকজনও ছিল এবং তারা পুলিশের পোশাকে ছিল। তারা মনোয়ারুলকে হত্যা করে ছাদ থেকে ফেলে দিয়েছে বলে স্বজনরা দাবি করেন। এই ঘটনার দায় পুলিশ এড়াতে পারে না উল্লেখ করে তারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা বলেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আমরা আইনগতভাবে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক বলেন, এ ব্যাপারে নিহতের স্বজনদের মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মামলা তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে। পুলিশ সদস্যদের এ ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy