ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯ লাখ টাকায় আপসের দাবি: গাড়িচাপায় নিহত শ্রমিকের ন্যায়বিচার কি অধরা? বিমান বাহিনীর ১৩২তম জেসিএসসি কোর্সের সনদপত্র বিতরণ করলেন বিমান বাহিনী প্রধান সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ঘোষণা ইরানের রাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অ্যালামনাই সম্মিলনের থিম সং গাইলেন আরিফ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে জাতিসংঘে ৮০ দেশের যৌথ আহ্বান ব্যালন ডি’অর ২০২৬: রদ্রির পছন্দের ৬ নাম, নেই মেসি-এমবাপ্পে মাদক নিয়ন্ত্রণে ছাড় নয়, জনগণের সহযোগিতা চাইলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সংকট ও ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনের গল্প বিকাশসহ ৫ প্রতিষ্ঠান পেলো ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন

বৃটেনে গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসায় স্থায়ী হওয়ার সুযোগ মাত্র তিন বছরে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অভিজ্ঞ গবেষকদের জন্য স্থায়ী বসবাসের (ইন্ডিফিনিট লিভ টু রিমেইন) নীতি সহজ করার ঘোষণা দিয়েছে বৃটিশ সরকার। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, জীবন বিজ্ঞান, বায়োটেক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, উন্নত উৎপাদন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সৃজনশীল শিল্পসহ ১০টি খাতের গবেষকরা উপকৃত হবেন।

৬ আগস্ট ঘোষিত এই সংস্কারের মাধ্যমে ‘গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা’র এন্ডোর্সড ফান্ডার পথটি ১০০টিরও বেশি গবেষণানির্ভর বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে ২৯১টিতে দাঁড়িয়েছে। অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার, জিএসকে, জিনোমিকস ইংল্যান্ড, ওয়েলকাম ট্রাস্ট স্যাঙ্গার ইনস্টিটিউট, আইবিএম, আর্ম, অক্সফোর্ড কোয়ান্টাম সার্কিটস, ইউকে অ্যাটমিক এনার্জি অথরিটি এবং ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার ল্যাবরেটরির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আন্তর্জাতিক গবেষকদের স্পনসর করতে পারবে। এই স্কীমে যোগ্য গবেষকরা মাত্র তিন বছর বৃটেনে কাজ করার পরই স্থায়ী বসবাসের আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

বৃটেনের বাণিজ্য সচিব জোনাথন রেনল্ডস জানিয়েছেন, বিশ্বের সেরা গবেষণা প্রতিভাদের জন্য যুক্তরাজ্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য এবং এই সম্প্রসারণের ফলে উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মানের গবেষক নিয়োগ সহজতর হবে। ইউকেআরআই-এর ইন্টারন্যাশনাল, ট্যালেন্ট অ্যান্ড স্কিলস চ্যাম্পিয়ন অধ্যাপক ক্রিস্টোফার স্মিথ উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগের সুফল ওষুধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীল শিল্পসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে। এছাড়া সরকার ‘ফিউচার টেকনোলজি রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন স্কিম’ সম্প্রসারণের মাধ্যমে এআই, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও ইঞ্জিনিয়ারিং বায়োলজির মতো অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে আন্তর্জাতিক গবেষকদের আরও বেশি সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

বৃটেনে গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসায় স্থায়ী হওয়ার সুযোগ মাত্র তিন বছরে

আপডেট সময় : ১০:২৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অভিজ্ঞ গবেষকদের জন্য স্থায়ী বসবাসের (ইন্ডিফিনিট লিভ টু রিমেইন) নীতি সহজ করার ঘোষণা দিয়েছে বৃটিশ সরকার। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, জীবন বিজ্ঞান, বায়োটেক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, উন্নত উৎপাদন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সৃজনশীল শিল্পসহ ১০টি খাতের গবেষকরা উপকৃত হবেন।

৬ আগস্ট ঘোষিত এই সংস্কারের মাধ্যমে ‘গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা’র এন্ডোর্সড ফান্ডার পথটি ১০০টিরও বেশি গবেষণানির্ভর বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে ২৯১টিতে দাঁড়িয়েছে। অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার, জিএসকে, জিনোমিকস ইংল্যান্ড, ওয়েলকাম ট্রাস্ট স্যাঙ্গার ইনস্টিটিউট, আইবিএম, আর্ম, অক্সফোর্ড কোয়ান্টাম সার্কিটস, ইউকে অ্যাটমিক এনার্জি অথরিটি এবং ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার ল্যাবরেটরির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আন্তর্জাতিক গবেষকদের স্পনসর করতে পারবে। এই স্কীমে যোগ্য গবেষকরা মাত্র তিন বছর বৃটেনে কাজ করার পরই স্থায়ী বসবাসের আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

বৃটেনের বাণিজ্য সচিব জোনাথন রেনল্ডস জানিয়েছেন, বিশ্বের সেরা গবেষণা প্রতিভাদের জন্য যুক্তরাজ্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য এবং এই সম্প্রসারণের ফলে উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মানের গবেষক নিয়োগ সহজতর হবে। ইউকেআরআই-এর ইন্টারন্যাশনাল, ট্যালেন্ট অ্যান্ড স্কিলস চ্যাম্পিয়ন অধ্যাপক ক্রিস্টোফার স্মিথ উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগের সুফল ওষুধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীল শিল্পসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে। এছাড়া সরকার ‘ফিউচার টেকনোলজি রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন স্কিম’ সম্প্রসারণের মাধ্যমে এআই, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও ইঞ্জিনিয়ারিং বায়োলজির মতো অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে আন্তর্জাতিক গবেষকদের আরও বেশি সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin