ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়ান গেমসে চীনের একক আধিপত্য, ১০০ স্বর্ণপদক জয় চুয়াডাঙ্গায় ৫০টি অসহায় পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে হাওর ও নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি জিয়াউর, সম্পাদক রেদুয়ান জাজিরায় পুলিশ দেখে কেক ও মোটরসাইকেল ফেলে পালালো আ.লীগ নেতাকর্মীরা এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি: বক্তারা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান দিচ্ছে সরকার, আবেদনের নিয়ম ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা করছে সরকার সিলেট চেম্বারের নির্বাচন বাতিল, নতুন প্রশাসক এজাজ আহমদ

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শনিবার (৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি দেশের মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের মানুষের প্রতিটি আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি উন্নত ও বসবাসযোগ্য বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। তিনি উল্লেখ করেন, যারা এই আন্দোলনে জীবন দিয়েছেন, আহত হয়েছেন কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবারই অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ছিল দেশ ও মানুষের কল্যাণ।

সরকারের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাস্তবতার নিরিখে নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, 'কী পেয়েছি সেটি বড় নয়, বরং দেশকে কী দিতে পেরেছি সেটিই আসল।' সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী দিনে একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

নিয়োগপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী। এছাড়া গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী আরজু আক্তারকেও নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শহীদ আব্দুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা এবং আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্না অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। নিয়োগপত্র পেয়ে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৬:১১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

শনিবার (৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি দেশের মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের মানুষের প্রতিটি আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি উন্নত ও বসবাসযোগ্য বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। তিনি উল্লেখ করেন, যারা এই আন্দোলনে জীবন দিয়েছেন, আহত হয়েছেন কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবারই অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ছিল দেশ ও মানুষের কল্যাণ।

সরকারের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাস্তবতার নিরিখে নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, 'কী পেয়েছি সেটি বড় নয়, বরং দেশকে কী দিতে পেরেছি সেটিই আসল।' সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী দিনে একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

নিয়োগপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী। এছাড়া গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী আরজু আক্তারকেও নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শহীদ আব্দুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা এবং আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্না অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। নিয়োগপত্র পেয়ে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin