ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দুঃশাসনেরই বিস্ফোরণ: মীর হেলাল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দীর্ঘ ১৫ বছরের আওয়ামী দুঃশাসনকে বাংলাদেশের ওপর চেপে বসা এক জগদ্দল পাথর হিসেবে অভিহিত করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, ওই শাসনামলের অত্যাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভেরই একটি চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ছিল জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান।

শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘ফ্যাসিবাদ, জুলাই বিপ্লব ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার যৌথ আয়োজন করে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের গুম, খুন, হত্যা ও পাশবিক নির্যাতনসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে চরম অত্যাচার করা হয়েছে। একই সঙ্গে রেহাই পাননি বিরোধী মতের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষও। তাদের ওপরও বর্বরোচিতভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হলে তা ভুল ও বিভ্রান্তিমূলক হবে বলে সতর্ক করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানের একক কোনো দাবিদার নেই। বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণই এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত অংশীদার ও মালিক।

তিনি আরও যোগ করেন, যেদিন দেশের সাধারণ মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই নির্যাতন ও দুঃশাসন আর সহ্য করা হবে না, স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে আর থাকা যাবে না এবং কোনো পার্শ্ববর্তী দেশের তাঁবেদারি করা চলবে না—সেদিনই এই গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত ফলাফল নিশ্চিত হয়েছিল।

যৌথ এই আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দুঃশাসনেরই বিস্ফোরণ: মীর হেলাল

আপডেট সময় : ০৩:০৫:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘ ১৫ বছরের আওয়ামী দুঃশাসনকে বাংলাদেশের ওপর চেপে বসা এক জগদ্দল পাথর হিসেবে অভিহিত করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, ওই শাসনামলের অত্যাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভেরই একটি চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ছিল জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান।

শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘ফ্যাসিবাদ, জুলাই বিপ্লব ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার যৌথ আয়োজন করে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের গুম, খুন, হত্যা ও পাশবিক নির্যাতনসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে চরম অত্যাচার করা হয়েছে। একই সঙ্গে রেহাই পাননি বিরোধী মতের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষও। তাদের ওপরও বর্বরোচিতভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হলে তা ভুল ও বিভ্রান্তিমূলক হবে বলে সতর্ক করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানের একক কোনো দাবিদার নেই। বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণই এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত অংশীদার ও মালিক।

তিনি আরও যোগ করেন, যেদিন দেশের সাধারণ মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই নির্যাতন ও দুঃশাসন আর সহ্য করা হবে না, স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে আর থাকা যাবে না এবং কোনো পার্শ্ববর্তী দেশের তাঁবেদারি করা চলবে না—সেদিনই এই গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত ফলাফল নিশ্চিত হয়েছিল।

যৌথ এই আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor