ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে ব্যর্থতার সুযোগ নেই: রুহুল আমিন হাওলাদার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নাটোর সদর উপজেলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মারা গেলেন মাদ্রাসা শিক্ষক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের মঞ্চে ট্রাম্পের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট ওমান উপকূলে মিসাইল হামলার কবলে বাংলাদেশি নাবিকদের জাহাজ

রাশিয়ার দুটি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৩৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইউক্রেন দীর্ঘপাল্লার ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার দুটি তেল শোধনাগারে সফল হামলা চালানোর দাবি করেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে পরিচালিত এই অভিযানের অংশ হিসেবে ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের একটি বড় তেল শোধনাগারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আঘাত হানা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ইয়ারোস্লাভলের স্লাভনেফট-ইয়ানোস তেল শোধনাগারে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য দেখা গেছে। স্বাধীন রুশ টেলিগ্রাম চ্যানেল ‘আস্ত্রা’ নিশ্চিত করেছে যে, ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্থাপনাটি রাশিয়ার পাঁচটি বড় শোধনাগারের একটি। এটি বছরে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করে, যা থেকে পেট্রোল, ডিজেল, জেট জ্বালানি ও তরলীকৃত গ্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্য উৎপাদিত হয়।

জেলেনস্কি আরও জানান, যুদ্ধফ্রন্ট থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দূরে রাশিয়ার বাশকোর্তোস্তান প্রজাতন্ত্রের একটি ছোট তেল শোধনাগারেও একই ধরনের ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার তেল থেকে প্রাপ্ত আয়ই তারা যুদ্ধের কাজে ব্যয় করছে, তাই এই জ্বালানি অবকাঠামোই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।

হামলার আগে ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের গভর্নর মিখাইল ইয়েভরায়েভ ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছিলেন এবং নিরাপত্তার স্বার্থে মস্কোগামী কিছু সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে সীমিত করেছিলেন। যদিও তিনি শোধনাগারের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি, তবে স্থানীয় বাসিন্দারা শহরের কয়েকটি আবাসিক ভবনেও আগুন লাগার দাবি করেছেন। এই তথ্যগুলো অবশ্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ইউক্রেন এর আগেও এই শোধনাগারে হামলার দাবি করেছিল এবং ২০২৬ সালের মে মাসেও স্থাপনাটি অন্তত চারবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল। কিয়েভ জানিয়েছে, তাদের তথাকথিত ‘দীর্ঘপাল্লার নিষেধাজ্ঞা’ অভিযানের আওতায় রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে ধারাবাহিক হামলা চালানো হচ্ছে, যার ফলে দেশটির কয়েকটি তেল শোধনাগার উৎপাদন কমাতে বা সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়ার দুটি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

আপডেট সময় : ০১:৩৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

ইউক্রেন দীর্ঘপাল্লার ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার দুটি তেল শোধনাগারে সফল হামলা চালানোর দাবি করেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে পরিচালিত এই অভিযানের অংশ হিসেবে ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের একটি বড় তেল শোধনাগারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আঘাত হানা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ইয়ারোস্লাভলের স্লাভনেফট-ইয়ানোস তেল শোধনাগারে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য দেখা গেছে। স্বাধীন রুশ টেলিগ্রাম চ্যানেল ‘আস্ত্রা’ নিশ্চিত করেছে যে, ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্থাপনাটি রাশিয়ার পাঁচটি বড় শোধনাগারের একটি। এটি বছরে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করে, যা থেকে পেট্রোল, ডিজেল, জেট জ্বালানি ও তরলীকৃত গ্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্য উৎপাদিত হয়।

জেলেনস্কি আরও জানান, যুদ্ধফ্রন্ট থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দূরে রাশিয়ার বাশকোর্তোস্তান প্রজাতন্ত্রের একটি ছোট তেল শোধনাগারেও একই ধরনের ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার তেল থেকে প্রাপ্ত আয়ই তারা যুদ্ধের কাজে ব্যয় করছে, তাই এই জ্বালানি অবকাঠামোই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।

হামলার আগে ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের গভর্নর মিখাইল ইয়েভরায়েভ ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছিলেন এবং নিরাপত্তার স্বার্থে মস্কোগামী কিছু সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে সীমিত করেছিলেন। যদিও তিনি শোধনাগারের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি, তবে স্থানীয় বাসিন্দারা শহরের কয়েকটি আবাসিক ভবনেও আগুন লাগার দাবি করেছেন। এই তথ্যগুলো অবশ্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ইউক্রেন এর আগেও এই শোধনাগারে হামলার দাবি করেছিল এবং ২০২৬ সালের মে মাসেও স্থাপনাটি অন্তত চারবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল। কিয়েভ জানিয়েছে, তাদের তথাকথিত ‘দীর্ঘপাল্লার নিষেধাজ্ঞা’ অভিযানের আওতায় রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে ধারাবাহিক হামলা চালানো হচ্ছে, যার ফলে দেশটির কয়েকটি তেল শোধনাগার উৎপাদন কমাতে বা সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin