ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন বিরাট কোহলি কলাপাড়ায় অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি, নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ বিগ বস বাংলার রান্নাঘরে নন্দিনী ও রাজবীরের তীব্র বাকবিতণ্ডা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে দুর্বৃত্তের গুলিতে ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ, আহত ৩ নিয়োগপত্র না পাওয়ায় শাহবাগে প্রাথমিক শিক্ষক প্রার্থীদের বিক্ষোভ জামালগঞ্জে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মানববন্ধন মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন: সোমবার থেকেই সেবা চালুর ঘোষণা ২৫ বছর পর টেনাশিনাসের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় মাদক ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ, গুলির শব্দে আতঙ্ক দেশ অশিক্ষিত ও চাঁদাবাজে ভরে গেছে: ক্ষুব্ধ সাদিয়া আয়মান

ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত ও গুরুত্ব

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইসলামে ফরজ নামাজের পর বেশ কিছু আমল পালন করা অত্যন্ত জরুরি। এই আমলগুলো কেবল সওয়াব অর্জনের মাধ্যমই নয়, বরং পরকালে মানুষের নাজাতের পথ সুগম করে। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। এই আয়াতের ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক হাদিসে উল্লেখ করেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে একমাত্র বাধা হলো মৃত্যু (নাসায়ি: ৯৯২৮)।

আয়াতুল কুরসির শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে হাদিসে আরও বর্ণনা রয়েছে। উবাই বিন কাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, কোরআন মাজিদের কোন আয়াতটি সর্বশ্রেষ্ঠ। জবাবে তিনি ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম’ বা আয়াতুল কুরসি পাঠ করেছিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তার বুকে মৃদু আঘাত করে তাকে ‘আবুল মুনজির’ বলে সম্বোধন করেন এবং এই জ্ঞান অর্জনের জন্য মোবারকবাদ জানান (মুসলিম: ১৩৯৬)।

এই আয়াতের বিশেষ ফজিলতের কারণ হলো, এতে আল্লাহর একত্ববাদের বর্ণনা এবং তাঁর গুণবাচক ১০টি বাক্য রয়েছে। এছাড়া শয়তানের প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার জন্য এই আয়াত অত্যন্ত কার্যকর।

আয়াতুল কুরসি হলো: আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম। লা তা খুজুহু সিনাতু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিস সামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরজ। মান জাল্লাজি ইয়াশ ফাউ ইনদাহু ইল্লা বি ইজনিহি, ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম মিন ইল মিহি ইল্লা বিমা শা আ, ওয়াসিয়া কুরসি ইউহুস সামা ওয়াতি ওয়াল আরজ, ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলি ইয়ুল আজিম।

এর অর্থ হলো: আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পেছনে যা কিছু রয়েছে, সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসি বা সিংহাসন সমস্ত আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত ও গুরুত্ব

আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ইসলামে ফরজ নামাজের পর বেশ কিছু আমল পালন করা অত্যন্ত জরুরি। এই আমলগুলো কেবল সওয়াব অর্জনের মাধ্যমই নয়, বরং পরকালে মানুষের নাজাতের পথ সুগম করে। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। এই আয়াতের ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক হাদিসে উল্লেখ করেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে একমাত্র বাধা হলো মৃত্যু (নাসায়ি: ৯৯২৮)।

আয়াতুল কুরসির শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে হাদিসে আরও বর্ণনা রয়েছে। উবাই বিন কাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, কোরআন মাজিদের কোন আয়াতটি সর্বশ্রেষ্ঠ। জবাবে তিনি ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম’ বা আয়াতুল কুরসি পাঠ করেছিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তার বুকে মৃদু আঘাত করে তাকে ‘আবুল মুনজির’ বলে সম্বোধন করেন এবং এই জ্ঞান অর্জনের জন্য মোবারকবাদ জানান (মুসলিম: ১৩৯৬)।

এই আয়াতের বিশেষ ফজিলতের কারণ হলো, এতে আল্লাহর একত্ববাদের বর্ণনা এবং তাঁর গুণবাচক ১০টি বাক্য রয়েছে। এছাড়া শয়তানের প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার জন্য এই আয়াত অত্যন্ত কার্যকর।

আয়াতুল কুরসি হলো: আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম। লা তা খুজুহু সিনাতু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিস সামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরজ। মান জাল্লাজি ইয়াশ ফাউ ইনদাহু ইল্লা বি ইজনিহি, ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম মিন ইল মিহি ইল্লা বিমা শা আ, ওয়াসিয়া কুরসি ইউহুস সামা ওয়াতি ওয়াল আরজ, ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলি ইয়ুল আজিম।

এর অর্থ হলো: আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পেছনে যা কিছু রয়েছে, সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসি বা সিংহাসন সমস্ত আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh