ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে ব্যর্থতার সুযোগ নেই: রুহুল আমিন হাওলাদার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নাটোর সদর উপজেলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মারা গেলেন মাদ্রাসা শিক্ষক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের মঞ্চে ট্রাম্পের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট ওমান উপকূলে মিসাইল হামলার কবলে বাংলাদেশি নাবিকদের জাহাজ ইবির সাদ্দাম হলের একই কক্ষের তিন বন্ধু হলেন সিভিল জজ যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান

উত্তর ইরাকের কুর্দি নিয়ন্ত্রিত গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



উত্তর ইরাকের কুর্দি নিয়ন্ত্রিত ‘খোর মোর’ গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি এই তথ্য জানিয়েছে। এই গ্যাসক্ষেত্রটি ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য গ্যাসের প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত। আইআরআইবি-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত শেষ রাতের দিকে সুলাইমানিয়ায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রে হামলাটি চালানো হয়।

প্রায় একই সময়ে গ্যাসক্ষেত্র থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে কুর্দি শাসিত অঞ্চলের রাজধানী এরবিলেও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এই বিস্ফোরণের মুহূর্তগুলো দেখা গেছে। ইরাকি সংবাদমাধ্যম এবং ইরানের ফার্স বার্তা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এরবিলের মার্কিন কনস্যুলেটের নিকটবর্তী এলাকাসহ অন্তত সাতটি স্থানে বিস্ফোরণ ঘটেছে।

আল–জাজিরার সঙ্গে আলাপকালে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, এরবিলের উত্তর-পূর্বে খালিফান ও সোরান এলাকায় অন্তত চারটি ইরানি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার পর এরবিলের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের ১০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন উড়তে দেখা গেছে, যা সন্দেহভাজন ওই হামলার জবাবে নেওয়া পদক্ষেপ বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, লক্ষ্যবস্তু করা এলাকা ও এর আশেপাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং দুটি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুর কাছাকাছি এসে বিধ্বস্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত রেখেছে। ১৩ রাত টানা হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্ত নেয় এবং এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানও হামলা বন্ধ রাখে। তবে সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর অনুরোধেই তিনি এই হামলা স্থগিত করেছেন। মিশিগানে যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের ভালো আলোচনা চলছে এবং ভালো কিছু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের মতে, অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতির কারণেই এই হামলা স্থগিত করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

উত্তর ইরাকের কুর্দি নিয়ন্ত্রিত গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলা

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

উত্তর ইরাকের কুর্দি নিয়ন্ত্রিত ‘খোর মোর’ গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি এই তথ্য জানিয়েছে। এই গ্যাসক্ষেত্রটি ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য গ্যাসের প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত। আইআরআইবি-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত শেষ রাতের দিকে সুলাইমানিয়ায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রে হামলাটি চালানো হয়।

প্রায় একই সময়ে গ্যাসক্ষেত্র থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে কুর্দি শাসিত অঞ্চলের রাজধানী এরবিলেও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এই বিস্ফোরণের মুহূর্তগুলো দেখা গেছে। ইরাকি সংবাদমাধ্যম এবং ইরানের ফার্স বার্তা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এরবিলের মার্কিন কনস্যুলেটের নিকটবর্তী এলাকাসহ অন্তত সাতটি স্থানে বিস্ফোরণ ঘটেছে।

আল–জাজিরার সঙ্গে আলাপকালে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, এরবিলের উত্তর-পূর্বে খালিফান ও সোরান এলাকায় অন্তত চারটি ইরানি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার পর এরবিলের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের ১০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন উড়তে দেখা গেছে, যা সন্দেহভাজন ওই হামলার জবাবে নেওয়া পদক্ষেপ বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, লক্ষ্যবস্তু করা এলাকা ও এর আশেপাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং দুটি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুর কাছাকাছি এসে বিধ্বস্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত রেখেছে। ১৩ রাত টানা হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্ত নেয় এবং এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানও হামলা বন্ধ রাখে। তবে সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর অনুরোধেই তিনি এই হামলা স্থগিত করেছেন। মিশিগানে যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের ভালো আলোচনা চলছে এবং ভালো কিছু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের মতে, অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতির কারণেই এই হামলা স্থগিত করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo