দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভে সংঘর্ষ ও পুলিশ আহত, ইন্টারনেট বন্ধ

- আপডেট সময় : ০৬:৪৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আবারও ব্যাপক উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। যন্তর মন্তরের মূল সমাবেশস্থল শান্ত থাকলেও সংসদ মার্গ এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করলে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ পাল্টা ইট-পাটকেল ছোড়ে।
দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া এক পুলিশ সদস্যকে ধাওয়া দিয়ে মারধর করার অভিযোগও উঠেছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। সংসদ মার্গের পার্ক হোটেলের কাছেই মূলত পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত রূপ নেয়। সেখানে বিক্ষোভকারীরা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছুড়তে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
এদিকে সহিংসতা এড়াতে এবং পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশের অনুরোধে এগিয়ে আসেন সিজেপির স্বেচ্ছাসেবকেরা। তারা লাউডস্পিকারযুক্ত একটি পুলিশ বাসের ওপর দাঁড়িয়ে বিক্ষোভকারীদের সংযত হওয়ার আহ্বান জানান। স্বেচ্ছাসেবকেরা আন্দোলনকারীদের শান্ত থাকার, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকার এবং সড়কে বসে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ করেন। তারা সতর্ক করে বলেন, যেকোনো ধরনের সহিংসতা এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ও অর্জনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এছাড়া সংঘর্ষে যেন ব্যবহার করা না যায়, সেজন্য সিজেপির স্বেচ্ছাসেবকেরা যন্তর মন্তর স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের রাস্তা থেকে পাথর সরিয়ে ফেলেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে কেন্দ্রীয় দিল্লির কয়েকটি এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। সরকারি নির্দেশ অনুসারে, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত যন্তর মন্তরকে কেন্দ্র করে দেড় কিলোমিটার এলাকার মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা স্থগিত রাখা হয়। তবে এই উত্তেজনার মধ্যেও যন্তর মন্তরের মূল বিক্ষোভস্থলটি শান্ত ছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে সংসদ মার্গমুখী রাস্তাগুলো ব্যারিকেড ও danga নিয়ন্ত্রণকারী বিশেষ যানবাহন দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয় এবং সংসদ স্ট্রিট থানার আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

























