ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তথ্য নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি ছড়াবে না সরকার: আমির খসরু রাতে বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়, এ মাসেই যুক্ত হচ্ছে নতুন ট্রেন বাবার প্রয়াণে আবেগঘন বার্তায় মেসি: ‘শান্তিতে ঘুমাও বাবা’ জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালুর ঘোষণা মাহদী আমিনের ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরকে ‘রাজনৈতিক জোকার’ বললেন চিফ প্রসিকিউটর বিএমইউ’র বরিশাল বিভাগীয় কল্যাণ সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সমকামিতার অভিযোগ: ঢাবির ২ শিক্ষার্থীর হলের সিট স্থায়ী বাতিল দৌলতপুরে নকল সিগারেট কারখানায় অভিযান, ২০ লাখ শলাকা জব্দ ডিমলায় ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতু পরিদর্শনে গিয়ে বিপদে এমপি ও নেতাকর্মীরা হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি শর্তে বাড়ছে উদ্বেগ

বিশ্বকাপে এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি যে দুর্ভাগা ফুটবলাররা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বিশ্বকাপের টানা ছয় সপ্তাহের লড়াই শেষ হয়েছে। এখন বেশির ভাগ ফুটবলারের জন্য বিশ্রামের সময় হলেও, কিছু খেলোয়াড় বিশ্বকাপ চলাকালীন পুরো সময়টা এক প্রকার ‘বিশ্রামেই’ কাটিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে ৪৮টি দলের হয়ে মোট ১ হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড় নিবন্ধিত ছিলেন। তাঁদের বেশির ভাগই মাঠে নামার সুযোগ পেলেও, বেশ কয়েকজন দুর্ভাগা ফুটবলার পুরো টুর্নামেন্টে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামার সুযোগ পাননি।

ফ্রান্সের এনগোলো কান্তের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের জন্য এটি ছিল বিস্ময়কর। ৩৫ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার ২০১৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম ভরসা ছিলেন। অথচ এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্স মোট আটটি ম্যাচ খেললেও কোচ দিদিয়ের দেশম তাঁকে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামাননি। এমনকি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণীর মতো নির্ভার ম্যাচেও তিনি সুযোগ পাননি।

ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে কোবি মাইনু পুরো টুর্নামেন্টে বেঞ্চে বসে থেকেছেন। ২০২৪ ইউরোর ফাইনালে শুরুর একাদশে থাকা এই মিডফিল্ডার বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের একমাত্র আউটফিল্ড খেলোয়াড়, যিনি এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে অবশ্য তিনি পুরোপুরি ফিট ছিলেন না। একই দলের গোলরক্ষক জেমস ট্র্যাফোর্ডও পুরো টুর্নামেন্টে বেঞ্চে ছিলেন, যদিও ইংল্যান্ডের অন্য দুই গোলরক্ষক খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন।

স্পেনের বিশ্বজয়ী দলের সদস্য ভিক্টর মুনিয়োজ চোটের কারণে টুর্নামেন্টের প্রথম কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারেননি এবং পরে আর মাঠে নামার সুযোগ আসেনি। তবে না খেললেও তিনি এখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। একই দলের গোলরক্ষক দাভিদ রায়াও উনাই সিমনের দুর্দান্ত ফর্মের কারণে পুরো টুর্নামেন্টে দর্শক হয়েই থেকেছেন। উনাই সিমন পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র ১ গোল হজম করে সেরা গোলকিপারের পুরস্কার জিতেছেন। স্পেনের আরেক খেলোয়াড় আলেহান্দ্রো গ্রিমালদোও পুরো টুর্নামেন্টে মাঠে নামার সুযোগ না পেলেও শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন পদক গলায় তুলেছেন।

ব্রাজিলের সেন্টার ব্যাক ব্রেমারও একাদশে জায়গা পাওয়ার কোনো সুযোগ পাননি, কারণ ব্রাজিলের প্রথম পছন্দের জুটি ছিলেন গ্যাব্রিয়েল ও মার্কিনিওস। উরুগুয়ের রোনাল্ড আরাউহো চোটের কারণে গ্রুপ পর্বে সৌদি আরব ও কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে বিবেচনায় ছিলেন না। শেষ ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষেও কোচ তাঁকে এক মিনিটের জন্যও নামাননি। অনেকের মতে, আরাউহোর না খেলতে পারা উরুগুয়ের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের অন্যতম কারণ।

পর্তুগালের রক্ষণভাগে রুবেন দিয়াস ও রেনাতো ভেইগার জুটি নির্ভরযোগ্য হওয়ায় গনসালো ইনাসিও পুরো টুর্নামেন্টে অপেক্ষাতেই কাটিয়েছেন। এছাড়া নেদারল্যান্ডসের ম্যাট উইফারও জুরিয়েন টিম্বারের চোটে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও বাস্তবে পুরো টুর্নামেন্টে বেঞ্চেই সময় কাটিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বকাপে এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি যে দুর্ভাগা ফুটবলাররা

আপডেট সময় : ০৯:২২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
print news

বিশ্বকাপের টানা ছয় সপ্তাহের লড়াই শেষ হয়েছে। এখন বেশির ভাগ ফুটবলারের জন্য বিশ্রামের সময় হলেও, কিছু খেলোয়াড় বিশ্বকাপ চলাকালীন পুরো সময়টা এক প্রকার ‘বিশ্রামেই’ কাটিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে ৪৮টি দলের হয়ে মোট ১ হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড় নিবন্ধিত ছিলেন। তাঁদের বেশির ভাগই মাঠে নামার সুযোগ পেলেও, বেশ কয়েকজন দুর্ভাগা ফুটবলার পুরো টুর্নামেন্টে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামার সুযোগ পাননি।

ফ্রান্সের এনগোলো কান্তের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের জন্য এটি ছিল বিস্ময়কর। ৩৫ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার ২০১৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম ভরসা ছিলেন। অথচ এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্স মোট আটটি ম্যাচ খেললেও কোচ দিদিয়ের দেশম তাঁকে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামাননি। এমনকি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণীর মতো নির্ভার ম্যাচেও তিনি সুযোগ পাননি।

ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে কোবি মাইনু পুরো টুর্নামেন্টে বেঞ্চে বসে থেকেছেন। ২০২৪ ইউরোর ফাইনালে শুরুর একাদশে থাকা এই মিডফিল্ডার বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের একমাত্র আউটফিল্ড খেলোয়াড়, যিনি এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে অবশ্য তিনি পুরোপুরি ফিট ছিলেন না। একই দলের গোলরক্ষক জেমস ট্র্যাফোর্ডও পুরো টুর্নামেন্টে বেঞ্চে ছিলেন, যদিও ইংল্যান্ডের অন্য দুই গোলরক্ষক খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন।

স্পেনের বিশ্বজয়ী দলের সদস্য ভিক্টর মুনিয়োজ চোটের কারণে টুর্নামেন্টের প্রথম কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারেননি এবং পরে আর মাঠে নামার সুযোগ আসেনি। তবে না খেললেও তিনি এখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। একই দলের গোলরক্ষক দাভিদ রায়াও উনাই সিমনের দুর্দান্ত ফর্মের কারণে পুরো টুর্নামেন্টে দর্শক হয়েই থেকেছেন। উনাই সিমন পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র ১ গোল হজম করে সেরা গোলকিপারের পুরস্কার জিতেছেন। স্পেনের আরেক খেলোয়াড় আলেহান্দ্রো গ্রিমালদোও পুরো টুর্নামেন্টে মাঠে নামার সুযোগ না পেলেও শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন পদক গলায় তুলেছেন।

ব্রাজিলের সেন্টার ব্যাক ব্রেমারও একাদশে জায়গা পাওয়ার কোনো সুযোগ পাননি, কারণ ব্রাজিলের প্রথম পছন্দের জুটি ছিলেন গ্যাব্রিয়েল ও মার্কিনিওস। উরুগুয়ের রোনাল্ড আরাউহো চোটের কারণে গ্রুপ পর্বে সৌদি আরব ও কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে বিবেচনায় ছিলেন না। শেষ ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষেও কোচ তাঁকে এক মিনিটের জন্যও নামাননি। অনেকের মতে, আরাউহোর না খেলতে পারা উরুগুয়ের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের অন্যতম কারণ।

পর্তুগালের রক্ষণভাগে রুবেন দিয়াস ও রেনাতো ভেইগার জুটি নির্ভরযোগ্য হওয়ায় গনসালো ইনাসিও পুরো টুর্নামেন্টে অপেক্ষাতেই কাটিয়েছেন। এছাড়া নেদারল্যান্ডসের ম্যাট উইফারও জুরিয়েন টিম্বারের চোটে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও বাস্তবে পুরো টুর্নামেন্টে বেঞ্চেই সময় কাটিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo