ঢাকা ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেক আমলের পার্থিব ৫ পুরস্কার ও কল্যাণ দিল্লির রাজনীতিতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ লোহিত সাগরে সৌদির দুই জাহাজে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা এপস্টেইনের সহযোগী মডেল স্কাউট ড্যানিয়েল সিয়াদের রহস্যজনক মৃত্যু ২৪ ঘণ্টাও টিকল না ফেরান তোরেসের ম্যুরাল, মুছে দিল কর্তৃপক্ষ মার্কিন হামলায় সহায়তাকারীদেরও কঠোর বার্তা দিল ইরান সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ‘গডজিলা’ খ্যাত তরুণী অভিনেত্রী কেইলি হটল পুলিশের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন দায়িত্ব দিয়ে বদলি চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সহ–উপাচার্য লোকমান হোসেন দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভে সংঘর্ষ ও পুলিশ আহত, ইন্টারনেট বন্ধ

তারুণ্যের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেছেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি দক্ষ ও যোগ্য জনশক্তি গড়ে তোলা। তার মতে, তারুণ্যের ক্ষমতায়নই প্রকৃতপক্ষে সরকারের ক্ষমতায়ন। বুধবার রাজধানীর মিরপুরে 'আন্ডারপ্রিভিলেজড চিলড্রেনস এডুকেশনাল প্রোগ্রামস-ইউসেপ বাংলাদেশ' আয়োজিত বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহ্দী আমিন জানান, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের পরিকল্পনা করছে যেখানে শিল্পখাত ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয় জোরদার হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো তরুণদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলা। তিনি আরও বলেন, সবার চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার প্রয়োজন নেই; বরং শিক্ষার্থীর আগ্রহ ও দেশের চাহিদার ভিত্তিতে মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশে বিভিন্ন ট্রেডভিত্তিক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকার চায় তিন মাস বা ছয় মাসের স্বল্পমেয়াদী কোর্সগুলো আরও বিস্তৃত হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা সফল উদ্যোক্তা হতে পারে।

প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বর্তমানে ২৩টি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ধরনের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। কিন্তু এগুলোর কারিকুলাম, সার্টিফিকেশন ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে সামঞ্জস্য প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকার একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার কাজ করছে, যাতে এনএসডিএ-এর সনদ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়। পলিটেকনিক, ভোকেশনাল শিক্ষা এবং টিটিসি-সহ সকল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানকে একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

ইউসেপ বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি তাদের ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে, যা একটি উৎসাহব্যঞ্জক মডেল। সরকার এই মডেলকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে চায়, বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে চায়। তিনি আরও জানান, শ্রমিকবান্ধব বর্তমান সরকার শ্রমিকদের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে এবং দুই ঈদের সময় কোনো অসন্তোষ দেখা দেয়নি। পরিশেষে তিনি বলেন, সরকারের ভূমিকা হবে নীতিগত সহায়তা প্রদান করা, আর বেসরকারি খাত হবে দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের মূল চালিকাশক্তি।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

তারুণ্যের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য

আপডেট সময় : ০৬:১৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
print news

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেছেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি দক্ষ ও যোগ্য জনশক্তি গড়ে তোলা। তার মতে, তারুণ্যের ক্ষমতায়নই প্রকৃতপক্ষে সরকারের ক্ষমতায়ন। বুধবার রাজধানীর মিরপুরে 'আন্ডারপ্রিভিলেজড চিলড্রেনস এডুকেশনাল প্রোগ্রামস-ইউসেপ বাংলাদেশ' আয়োজিত বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহ্দী আমিন জানান, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের পরিকল্পনা করছে যেখানে শিল্পখাত ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয় জোরদার হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো তরুণদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলা। তিনি আরও বলেন, সবার চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার প্রয়োজন নেই; বরং শিক্ষার্থীর আগ্রহ ও দেশের চাহিদার ভিত্তিতে মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশে বিভিন্ন ট্রেডভিত্তিক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকার চায় তিন মাস বা ছয় মাসের স্বল্পমেয়াদী কোর্সগুলো আরও বিস্তৃত হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা সফল উদ্যোক্তা হতে পারে।

প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বর্তমানে ২৩টি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ধরনের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। কিন্তু এগুলোর কারিকুলাম, সার্টিফিকেশন ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে সামঞ্জস্য প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকার একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার কাজ করছে, যাতে এনএসডিএ-এর সনদ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়। পলিটেকনিক, ভোকেশনাল শিক্ষা এবং টিটিসি-সহ সকল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানকে একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

ইউসেপ বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি তাদের ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে, যা একটি উৎসাহব্যঞ্জক মডেল। সরকার এই মডেলকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে চায়, বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে চায়। তিনি আরও জানান, শ্রমিকবান্ধব বর্তমান সরকার শ্রমিকদের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে এবং দুই ঈদের সময় কোনো অসন্তোষ দেখা দেয়নি। পরিশেষে তিনি বলেন, সরকারের ভূমিকা হবে নীতিগত সহায়তা প্রদান করা, আর বেসরকারি খাত হবে দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের মূল চালিকাশক্তি।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy