ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চরফ্যাশনে সারের ডিলারশিপ বিতর্কে স্ট্যাম্পে লিখে দায়িত্ব হস্তান্তর যুবদল নেতার শাহজালালে আটকা ১৩ হাজার যাত্রী, বাতিল ৮২ ফ্লাইট বিরোধী দলকে নিয়েই সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার : সালাহউদ্দিন আহমদ জামালপুরের বকশীগঞ্জে ঘরের চালের সাথে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কৃষি ও কৃষককে গুরুত্ব দিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর ধানমন্ডিতে তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবককে মারধর, পরে কারাদণ্ড চিংড়ি রপ্তানি বাড়াতে ৬০০ চাষিকে নিয়ে বিশেষ উদ্যোগ তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা জারি পলাশবাড়ীতে প্লাবন হত্যা মামলার আসামি শ্রমিক লীগ নেতা লিটন গ্রেপ্তার

জামালপুরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড, কিশোরী অপহরণে তিনজনের যাবজ্জীবন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম পৃথক দুটি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে স্ত্রী হত্যার দায়ে এক স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড এবং এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরীকে অপহরণের দায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হত্যা মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হনুফা বেগমকে মারধর করে হত্যা করেন তার স্বামী হাফিজুল। ঘটনার পর নিহতের মা আমেনা বেগম একই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর বকশীগঞ্জ থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও আলামত পর্যালোচনার পর আদালত প্রধান আসামি হাফিজুলকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে জামালপুর সদর উপজেলার হরিপুর এলাকা থেকে অপহৃত হয়। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবার দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ গাজীপুর থেকে তাকে উদ্ধার করে। এই মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত শামীম, সাদেক ও জালাল মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এর মধ্যে জালাল মিয়াকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে অনুসরণ করেই আদালত এই রায় প্রদান করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই রায় সমাজে অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং ন্যায়বিচারের প্রতি বিচারপ্রার্থীদের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

জামালপুরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড, কিশোরী অপহরণে তিনজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৬:০২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম পৃথক দুটি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে স্ত্রী হত্যার দায়ে এক স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড এবং এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরীকে অপহরণের দায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হত্যা মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হনুফা বেগমকে মারধর করে হত্যা করেন তার স্বামী হাফিজুল। ঘটনার পর নিহতের মা আমেনা বেগম একই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর বকশীগঞ্জ থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও আলামত পর্যালোচনার পর আদালত প্রধান আসামি হাফিজুলকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে জামালপুর সদর উপজেলার হরিপুর এলাকা থেকে অপহৃত হয়। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবার দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ গাজীপুর থেকে তাকে উদ্ধার করে। এই মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত শামীম, সাদেক ও জালাল মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এর মধ্যে জালাল মিয়াকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে অনুসরণ করেই আদালত এই রায় প্রদান করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই রায় সমাজে অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং ন্যায়বিচারের প্রতি বিচারপ্রার্থীদের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh