চিংড়ি রপ্তানি বাড়াতে ৬০০ চাষিকে নিয়ে বিশেষ উদ্যোগ
- আপডেট সময় : ১২:১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চিংড়ির গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সক্ষমতা উন্নত করার লক্ষ্যে উৎপাদন ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৬০০ জন চিংড়িচাষিকে সংগঠিত করা হয়েছে, যারা শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষা, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ পদ্ধতি এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) সদস্য প্রতিষ্ঠান টোটালফুড প্রসেসিং প্রাইভেট লিমিটেডের সরবরাহ শৃঙ্খলে যুক্ত এই চাষিদের নিয়ে কাজ করছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), মন্টেরি বে অ্যাকোয়ারিয়াম (এমবিএ) এবং টোটালফুড প্রসেসিং। আইএলওর ‘অ্যাডভান্সিং ডিসেন্ট ওয়ার্ক ইন বাংলাদেশ’ (এডিডব্লিউআইবি) প্রকল্পের আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন ও গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার অর্থায়নে এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় চাষি ও শ্রমিকদের শ্রম আইন, মৌলিক অধিকার এবং কর্মক্ষেত্রে বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং চাষিদের স্বার্থ সুরক্ষায় একটি সমিতি গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পাশাপাশি, মন্টেরি বে অ্যাকোয়ারিয়াম চাষিদের উত্তম মৎস্য চাষ পদ্ধতি, চিংড়ির স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের ওপর কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ১১ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও শেফরা বাংলাদেশ সফর করছেন। সফরকারীদের মধ্যে রয়েছেন আমেরিকান ডাইনিং ক্রিয়েশনসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ম্যাথিউ বিউডিন, কিচেনঅপস কনসাল্টিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা ব্র্যাডলি নেলসন, ম্যারিয়ট ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের কুলিনারি ডিরেক্টর যোগেন্দ্র আদেপ এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের কুলিনারি ডিরেক্টর মারিও ফার্নান্দেজ। তারা চিংড়ি খামার পরিদর্শন করে উৎপাদকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেছেন।
টোটালফুড প্রসেসিং প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজাউর রহমান জানান, শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষা ও পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চিংড়ির গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। এর ফলে রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবিকার উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
























