ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

যুক্তরাষ্ট্রের ৩০টি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দেশটির আহভাজ শহরের ওপর দিয়ে ওড়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত আট দিনের মধ্যে এটি চতুর্থ ঘটনা যেখানে ইরান আমেরিকার এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল। নজরদারি ও হামলার কাজে ব্যবহৃত এই ড্রোনগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে পরিশীলিত।

ইরানি কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তারা এ পর্যন্ত ১৫০টিরও বেশি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে, যার মধ্যে প্রায় ৩০টিই হলো শক্তিশালী এমকিউ-৯ মডেলের। অথচ চলতি বছরের মার্চের প্রথম সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রসচিব হেগসেথ দাবি করেছিলেন যে, ইরানের আকাশসীমা সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এমকিউ-৯ ড্রোনগুলো সাধারণত রাডার বা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। তবে ইরান দাবি করেছে, তাদের কাছে বর্তমানে নতুন ও অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। এই দাবির সত্যতা থাকলে তা মার্কিন পররাষ্ট্রসচিবের বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরে।

২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি এমকিউ-৯ ড্রোনের নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেই হিসেবে, গত চার মাসে যদি সত্যিই ৩০টি ড্রোন ভূপাতিত হয়ে থাকে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি এমকিউ-৯ ড্রোনের গড় আনুমানিক নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৩৪ মিলিয়ন (৩ কোটি ৪০ লাখ) মার্কিন ডলার।

সেই হিসাবে গত চার মাসে যদি সত্যিই ৩০টি ড্রোন ভূপাতিত হয়ে থাকে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলারেরও বেশি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের ৩০টি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

আপডেট সময় : ০৭:২১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দেশটির আহভাজ শহরের ওপর দিয়ে ওড়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত আট দিনের মধ্যে এটি চতুর্থ ঘটনা যেখানে ইরান আমেরিকার এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল। নজরদারি ও হামলার কাজে ব্যবহৃত এই ড্রোনগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে পরিশীলিত।

ইরানি কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তারা এ পর্যন্ত ১৫০টিরও বেশি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে, যার মধ্যে প্রায় ৩০টিই হলো শক্তিশালী এমকিউ-৯ মডেলের। অথচ চলতি বছরের মার্চের প্রথম সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রসচিব হেগসেথ দাবি করেছিলেন যে, ইরানের আকাশসীমা সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এমকিউ-৯ ড্রোনগুলো সাধারণত রাডার বা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। তবে ইরান দাবি করেছে, তাদের কাছে বর্তমানে নতুন ও অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। এই দাবির সত্যতা থাকলে তা মার্কিন পররাষ্ট্রসচিবের বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরে।

২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি এমকিউ-৯ ড্রোনের নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেই হিসেবে, গত চার মাসে যদি সত্যিই ৩০টি ড্রোন ভূপাতিত হয়ে থাকে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি এমকিউ-৯ ড্রোনের গড় আনুমানিক নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৩৪ মিলিয়ন (৩ কোটি ৪০ লাখ) মার্কিন ডলার।

সেই হিসাবে গত চার মাসে যদি সত্যিই ৩০টি ড্রোন ভূপাতিত হয়ে থাকে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলারেরও বেশি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh